প্রথা ভেঙেই প্রধানমন্ত্রীর অভ্যর্থনা এড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী

Update: June 2, 2012 10:55 IST

দিল্লিতে দরবার করেও কেন্দ্রের `বিশেষ আর্থিক সাহায্য` পাওয়ায় যথেষ্টই ক্ষুব্ধ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাতে ঘৃতাহুতি দিয়েছে পেট্রোলের মূল্যবৃদ্ধির ইস্যু। শনিবার প্রধানমন্ত্রীর তিন ঘণ্টার কলকাতা সফরে সেই ক্ষোভেরই বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। ৭ রেসকোর্স রোডের বাসিন্দাকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে হাজির হলেন না তিনি। প্রচলিত প্রথা ভেঙে এই পদক্ষেপ করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে এদিন বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান রাজ্যপাল এম কে নারয়ণন।

শনিবার সংক্ষিপ্ত এই কলকাতা সফরে দু`টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর এই সফরে কোনও রাজনৈতিক কর্মসূচি নেই। এদিন দুপুর দেড়টায় দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে যাবেন প্রধানমন্ত্রী। রেসকোর্স হেলিপ্যাডে প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানাতে উপস্থিত হতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে তাঁদের দুজনের মধ্যে সংক্ষিপ্ত কথাও হতে পারে।

শনিবার সকাল সাড়ে দশটায় তাঁর দমদম বিমানবন্দরে আসেন প্রধানমন্ত্রী। রাজ্যপালের পাশাপাশি সুব্রত মুখোপাধ্যায়, অমিত মিত্র-সহ কয়েকজন মন্ত্রী তাঁকে অভ্যর্থনা জানাতে বিমানবন্দরে হাজির ছিলেন। সকাল ১০টা ৫৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী সল্টলেকের সেক্টর ফাইভের বোস ইনস্টিটিউটে আসেন। সেখানে ইউনিফায়েড অ্যাকাডেমিক ক্যাম্পাসের শিলান্যাস করেন তিনি। বোস ইনন্সিটিউট থেকে সকাল ১১টা ২০ মিনিট নাগাদ বেরনোর কথা রয়েছে তাঁর। এর পর সকাল পৌনে ১২টায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তিনি জাতীয় বিজ্ঞান কংগ্রেস আয়োজিত শতবর্ষ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। বেলা ১২টা ৫০ মিনিট নাগাদ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গাড়িতে রেসকোর্স হেলিপ্যাডের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন মনমোহন সিং। তাঁর সেখানে পৌঁছনোর কথা বেলা ১টা ০৫ মিনিট। দুপুর দেড়টায় বিমানে প্রধানমন্ত্রী দিল্লি ফিরে যাবেন বলে জানা গিয়েছে।

Post Your Comment

Total Comments:1

আসলে দিদিমণির ভাগ্য এত ভাল পেয়েছেন একখানা ন পুং শক বড় দাদা ম্নি,আসলে আমাদের লজ্জা নেই,মেেয়ছেলে দিয়ে আর জাই চলুক না কেন রাজ্যপাট চলেনা,এদের মাথা মোটা হ্য় কাখন কার যে ঘড়ে ঢোকে ও ঘর ভাঙে বঝা দায়,এদের কি মেয়েছেলে বলে বলুন তো //////////...। এদের নিয়ে ঘর করতে নেই ঘর তপ ভানবেই,সাধু সাবধান

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।