দোলা সেনের ক্ষমতা খর্ব করলেন মমতা

Update: August 19, 2012 11:07 IST

তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনে গোষ্ঠী কোন্দল ঠেকাতে এবার হস্তক্ষেপ করতে হল মুখ্যমন্ত্রীকে। ক্ষমতা খর্ব করা হল শ্রমিক সংগঠনের রাজ্য সভাপতি দোলা সেনের। যেসব কারখানায় একাধিক গোষ্ঠী রয়েছে, তা ভেঙে ফেলারও নির্দেশ দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। 

সরকারে আসার পর থেকেই তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনে গোষ্ঠী কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে। দলের শ্রমিক নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে সরিয়ে শ্রমিক সংগঠনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দোলা সেনের হাতে। কিন্তু দোলা সেনের বিরুদ্ধে ঘরে এবং বাইরে বিস্তর অভিযোগ। শ্রমমন্ত্রী পূর্ণেন্দু বসুর ঘনিষ্ঠ দোলা সেনের নামে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগও জমা পড়েছে তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে। এমনকী, কারখানায় তৃণমূল সংগঠন করার অনুমোদন দেওয়া নিয়েও বিস্তর অভিযোগ জমা পড়েছে। এই অবস্থায় দাঁড়িয়ে তাঁকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত একপ্রকার নিয়েই ফেলেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু শেষমুহূর্তে মুকুল রায়ের অনুরোধেই তাঁকে সতর্ক করে দায়িত্ব থেকে সরানো হচ্ছে না। তবে, দোলা সেনের কাছ থেকে ইউনিয়নের অনুমোদন দেওয়া ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে। শনিবার এবিষয়ে মহাকরণে বৈঠকে বসেছিলেন সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মুকুল রায়, পার্থ চট্টোপাধ্যায়, দোলা সেনরা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশ মতো সর্বভারতীয় শ্রমিক সংগঠন দেখার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সুব্রত মুখোপাধ্যায় এবং প্রদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর। দোলা সেনের ক্ষমতা খর্ব করে অনুমোদন দেওয়ার ব্যাপারে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। যে সব কারখানায় তৃণমূলের একাধিক গোষ্ঠীর সংগঠন রয়েছে, তা অবিলম্বে ভেঙে দেওয়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তৃণমূলনেত্রীর কাছে অভিযোগ জমা পড়েছে, বহু কারখানাতেই শ্রমিক সংগঠনের নাম করে রীতিমতো তোলাবাজি চলছে। সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, এই ধরনের অভিযোগ সামনে এলে দল কড়া ব্যবস্থা নেবে।


Post Your Comment

Total Comments:5

India te ei muhurte `gandhijir teen bandar`: Karuna Nidhi - Kichhu dekhen na, Monmohan Singh - Nije kichhu bolen na and Didi - Karor kichhu sonen na..

India te ei muhurte `gandhijir teen bandar`: Karuna Nidhi - Kichhu dekhen na, Monmohan Singh - Nije kichhu bolen na and Didi - Karor kichhu sonen na..

Subrota Mukherje toh INTUC UNION er porono syana onarei pod ta darkar chilo pujo asch na.

...IT`S A RIGHT DECISION TAKEN BY THE CHIEF MINISTER...

ধর্ষণ বন্ধ হোক গতকাল টালিগ্ঞ্জের গল্ফ গার্ডেনে গনধর্ষনের স্বীকার হয় এক মহিলা ।এজন্য সমাজের সর্বস্তরের মানুষজনকে এগিয়ে আসতে হবে এবং প্রতিবাদ জানাতে হবে।আমি চাইব অপরাধীদের যেন জাবত্‍ জীবন কারাদণ্ড হয়।

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।