কেন্দ্রে সংখ্যালঘু সরকার চলছে, ফেসবুকে কটাক্ষ মমতার

Update: December 5, 2012 21:26 IST

এফডিআই ইস্যুতে লোকসভায় সরকার জয়ী হলেও কড়া প্রতিক্রিয়া জানালেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যেভাবে সরকার ভোটে জয়ী হয়েছে তার বিরুদ্ধে ফেসবুকে রীতিমতো ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি।

তৃণমূলনেত্রী বলেছেন এফডিআই নিয়ে ভোটাভুটির ফল প্রমাণ করে সরকার সংখ্যালঘু। মোট সাংসদ সংখ্যার নিরিখে সংখ্যাগরিষ্ঠ হতে গেলে সরকারের ২৭১টি ভোট প্রয়োজন ছিল। কিন্তু সরকার ২৫৩টি ভোট পেয়েছে। এ থেকেই প্রমাণ হয় সরকার সংখ্যালঘু। এই ফল লজ্জাজনক বলেও ফেসবুকে মন্তব্য করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি আরও বলেন, "কেন্দ্রীয় সরকার তার বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়েছে।" সরকারের নতুন করে মানুষের রায় নেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।  

Post Your Comment

Total Comments:6

SANGBIDHAN ONUJAYEE PRODOTTO VOTER SONKHYA DIYE BICHAR HOBE .....ETAKE KONOVABEI SANKHYALOGHU SARKAR BOLA JAY NAA.

DIDI THIKEE BALECHE .CONGER UCHIT NATUN KARE RAI NIYE DESH CHALANO. DIDI GO AHEAD WE R WITH U.

Ki shundor sobuj shakchunni!er dam minimum ek koti to hobei?

KENDRA SANKHYALAGU SARKAR AR BANGLAI SAIRATANTRIK SARKAR.

A single issue does not prove that the Govt does not have sufficient support at Parliament. But the question is - why did you with National Congress? It is clear now that you only want have in [power in West Bengal. No sooner did you have the power than you left the UPA Govt.

WHETHER OUR FOOD IN SAFE HANDS ? COMMON PEOPLE LIKE FARMERS ,VEGETABLE VENDORS,GROCERS ,POOR CONSUMERS WILL EXPRESS THEIR OPINION IN THE BALLOT BOX IN REGARD TO FOREIGN DIRECT INVESTMENT IN RETAIL.WHAT IS THE PERCENTAGE OF POPULATION PURCHASING FROM BIG BAZAAR,CITY MALLS?

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।