`আমি বিধবা ভাতা পাইনি`

Update: March 8, 2013 19:41 IST

নারী দিবসে নেতাজি ইন্ডোরের ভিতরে মহিলাদের জন্য সরকারের সাফল্যের খতিয়ান দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু বাইরে একটু জিজ্ঞাসাবাদ করতেই পাল্টে গেল ছবিটা। ২৪ ঘণ্টার ক্যামেরার সামনে বিধবা ভাতা নিয়ে জানাতে গিয়ে দলীয় কর্মীদের রোষের মুখে পড়লেন সালকিয়ার বাসিন্দা এক বৃদ্ধা।

মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের পুস্তিকায় ঘোষণা, বিধবা ভাতার সঙ্গে মেডিক্যাল ইনসিওরেন্স জুড়ে আওতাবৃদ্ধি করা হচ্ছে প্রকল্পের। শুক্রবার নেতাজি ইন্ডোরে মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণাতেও এলো বিধবা-ভাতা প্রসঙ্গ। কিন্তু বাস্তবটাও কী এক? ২৪ ঘণ্টার মুখোমুখি হয়ে এক বিধবা বলেন, "আমি বিধবা ভাতার টাকা পাইনি।" কিন্তু সেইসময় আচমকাই বৃদ্ধাকে সরিয়ে নিয়ে যান এক তৃণমূল কর্মী। কেন তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরা বলতে দিলেন না এই বৃদ্ধাকে?
 
তাহলে কি মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য এবং বাস্তবের ভিন্নতা ঢাকতেই তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের এই আচরণ? নারী দিবসে বয়স্কা মহিলার কণ্ঠরোধ করতেই কি এমন আচরণ তৃণমূল কর্মীদের?  
 

Post Your Comment

Total Comments:3

Amader Bangler kopale aro dukho ache,joto din parjanto ei gadhara sarkar chalabe toto din,era din ke rat er rat ke din kare sudhu matra vote banker jonney.kono niti nei,kono plan nei,kono parikalpana nei,tobuo amader rajjer mangopeople(amadmi)keno eder rekhe diyeche era kokhonoi sadharon manusher bhalo karte pare na,joto sab chor,gunda,matal,bhondora State take chalache.er koto din ei bhave chalbe ?????????????????????????????????

ei ghotonr poripekkhite bola jte pare j aj tmc esece ek theke der bocor, r onake dekhe mone hocce j une ank din agei bidhoba hoechen .. to une ki bamfront er amole ki thik mto vata peacen... na aj une ank asar sathe ank bedonar sathe ese une ei kotha ta bolecen..didr kace janate esecen onr koster kotha.. jate eto din por une subichar pan..

DOS BACHOR SOKOLKE CHUP THAKTE BOLA HOYECHE.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।