সাধারণ ধর্মঘট ব্যর্থ করতে বদ্ধপরিকর রাজ্য সরকার

Update: February 18, 2013 22:53 IST

কুড়ি এবং একুশ তারিখের সাধারণ ধর্মঘট ব্যর্থ করতে বদ্ধপরিকর রাজ্য সরকার। আগামিকাল এই নিয়ে বাস, মিনিবাস এবং ট্যাক্সিমালিকদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক ডেকেছেন পরিবহণমন্ত্রী মদন মিত্র। তবে পরিবহণ মালিকেরা জানিয়ে দিয়েছেন, ধর্মঘটের দিন গাড়ি ভাঙচুর হলে বিমার টাকা পাইয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে রাজ্য সরকারকে।

বনধ ভাঙতে ফের সরব হলেন মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছেন, বাংলায় কোনও বনধ করতে দেবেন না তিনি। কুড়ি ও একুশ তারিখ কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়নগুলির ডাকা সাধারণ ধর্মঘটের দিন রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ছুটি মঞ্জুর হবেনা বলে মহাকরণে আজ বিজ্ঞপ্তি জারি করেছেন মুখ্যসচিব।

ফের বনধ রুখতে সরব হলেন মুখ্যমন্ত্রী। আরও একধাপ এগিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা বনধে সম্পত্তি নষ্ট হলে ক্ষতিপূরণ দেবে সরকার। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পরই মহাকরণে বিজ্ঞপ্তি জারি করেন মুখ্যসচিব সঞ্জয় মিত্র। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে,আগামী কুড়ি ও একুশ তারিখ কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়নগুলির ডাকা ধর্মঘটের দিন কোনও রাজ্য সরকারি কর্মচারীর ছুটি মঞ্জুর করা হবে না। বনধ ভাঙতে মুখ্যমন্ত্রীর এই কড়া অবস্থানের তীব্র সমালোচনা করেছেন সিটু নেতা শ্যামল চক্রবর্তী।
 
 
প্রসঙ্গত,  মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসার পর বনধ ভাঙার জন্য সক্রিয় হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বনধে অফিস, স্কুল কলেজে না আসলে শুধু বেতন কাটা নয়, কড়া শাস্তিরও হুমকি শোনা গিয়েছিল মুখ্যমন্ত্রীর গলায়। কিন্তু, শেষপর্যন্ত আইনি জটিলতার কারণে বেতন কাটা হলেও, শাস্তির মুখে পড়তে হয়নি কোনও ধর্মঘটীকে। এবার অবশ্য শাস্তির হুমকি শোনা যায়নি মুখ্যমন্ত্রীর গলায়। 
 





Post Your Comment

Total Comments:9

bondh er politics kore paschim bongo sesh hoye geche. onek hoyeche. ar bondh noy. please sob political party k onurodh bondh r politics bondho korun.

If She Is In Opposition And She Is Not Abel Justified The Circumstances of General Human Right ! Then Must Go To Heaven!

Sadharan manusher dukha durdasha dur karte sarkar bartha athacha manunesher andolan karar adikar karte chaiche sarkar. TAI EI SARKAR KADER BIRUDHE TA BUJHTE HAHE PARIBARTAN PANTHIDER. MANE RAKHA UCHIT AAJ PARJANTA KONO DABI KEU EMNI MENE NAYNI. ADHIKAR SAB SAMAY KERE NITE HAI.

এই নির্দেশ কি পাহাড়ের বন্ধ গুলিতেও প্রযোজ্য ?

amra bondh palon korchi

HITLAR ,MUSOLINI,NIRO,SIDHARTO ROYER UTTAR SURI MAMATA. ONAR KACH THEKE ETAI TO ASA KARA JAI

chuti chai..protidin kaj kore kore r valo lage naa..tai chuti chai...

amara bond chai na .

West Bengal a to sab kichhui bandho hoye gechhe. Ar ki khola achhe? Jara sadharan dharmaghat dekechen, tara ki parben natun kore kichhu khulte ba kal-karkhana chalu karte? Tahole faltu bandh deke (sadharan dharmaghat ar bandh eki paisar edik / odik) amader state-er ki labh? Er uttar ke deben?

ধর্মঘট হোক বা না হোক । আমরা হিমালয়েই যাব। যাবই যাবো। পাহাড় ঢাকতে। যাতে আগামীতে শিলার অপব্যবহার বন্ধ হয়।

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।