থানার সামনে গায়ে অগুন দিল যুবক

Update: December 3, 2012 21:18 IST

সোমবার সন্ধেতে ধর্ষণের ঘটনায় পুলিসি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ এনে কড়েয়া থানার সামনেই গায়ে আগুন দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করলেন এক যুবক। অগ্নিদগ্ধ  অবস্থায় তাঁকে ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা হয়েছে। মাসখানেক আগে দক্ষিণ কলকাতার পাম অ্যাভিনউতে একটি ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তি পুলিসের ঘনিষ্ঠ। সেকারণেই তাকে গ্রেফতার করা হচ্ছে না। এই ক্ষোভ জানিয়ে গায়ে আগুন দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন ওই যুবক।

কাল কড়েয়া থানার সামনে এক যুবক হঠাত্‍‍ই গায়ে আগুন দেয়। অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় থানার সামনেই ছটফট করতে থাকে সে। যুবককে ওই অবস্থায় দেখতে পেয়ে ছুটে আসেন স্থানীয় বাসিন্দারা। জানা যায় যুবকের  নাম মীর আমিনুল ইসলাম। বাড়ি দক্ষিণ কলকাতার পাম অ্যাভিনিউতে। মাসখানেক আগে ওই এলাকায় একটি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছিল। ওই ঘটনায় অভিযুক্ত সাহাজাদা বক্স পুলিসের ঘনিষ্ঠ। সেকারণেই তাকে আড়াল করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ।

অভিযুক্তকে গ্রেফতারের দাবিতে বারবার থানায় যান স্থানীয় যুবকরা। কিন্তু মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতারের পরিবর্তে অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধেই বিভিন্ন মামলা শুরু করে পুলিস। সাহাজাদার বাড়িতে হামলা ও স্ত্রীকে নিগ্রহেরও অভিযোগ রয়েছে মীর আমিনুল ইসলাম সহ পাঁচ যুবকের বিরুদ্ধে।

পুলিসি নিষ্ক্রিয়তা ও হয়রানির অভিযোগে থানার সামনেই আত্মহত্যার চেষ্টা করে  মীর আমিনুল ইসলাম। ঘটনাস্থল থেকে মেলে একটি সুইসাইড নোটও।

অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় ন্যাশানাল মেডিক্যাল কলেজে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর কড়েয়া থানার পুলিসকর্মীরা হাসপাতালে পৌঁছলে তাঁদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয় যুবকের পরিবারের সদস্যদের। ওয়ার্ডের মধ্যেই মারধর করা হয় পুলিসকর্মীদের। পরে হাসপাতালের বাইরেও একদফা পুলিসকর্মীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয় আমিনুলের আত্মীয়দের।
 








Post Your Comment

Total Comments:1

police ki korche ea rajjea...kakhono police nijei churi korche...abar rape er sathe jukto.....

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।