উচ্চমাধ্যমিকে নম্বর বাড়ানো নিয়ে কাঠগড়ায় শিক্ষা সংসদ

Update: July 18, 2012 19:11 IST

পরীক্ষার খাতায় নজিরবিহীন ভাবে নম্বর বাড়িয়ে কাঠগড়ায় উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। রিভিউয়ের পর প্রধান পরীক্ষক চিঠি লিখে দিয়েছিলেন নম্বর বাড়ছে না। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে মার্কশিটে নম্বর বেড়ে গেল। অভিযোগের তীর খোদ শিক্ষা সংসদের সচিবের দিকে।

উচ্চমাধ্যমিকের অন্যান্য পরীক্ষার্থীদের রিভিউ প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার আগেই প্রধান পরীক্ষককে বিশেষভাবে ওই ছাত্রের ফিজিক্স উত্তরপত্রের নম্বর রিভিউ করতে বলা হয় শিক্ষা সংসদের তরফে। খাতা রিভিউয়ের পর প্রধান পরীক্ষক চিঠি দিয়ে জানিয়ে দেন নম্বর বাড়ানো যাচ্ছে না। পরীক্ষার্থীর প্রাপ্ত নম্বর একই থাকছে। কিন্তু প্রধান পরীক্ষকের মত জানার পর অন্য একজন পরীক্ষককে দিয়ে আলাদাভাবে খাতা দেখানো হয়। আর এতেই বেড়ে যায় নম্বর।

২১.০৬.২০১২

বর্ধমান রিজিয়নের প্রধান পরীক্ষক এই বিশেষ ছাত্রের খাতা একজন পরীক্ষককে দিয়ে পরীক্ষা করিয়ে লিখিতভাবে জানালেন নম্বর পরিবর্তন হচ্ছে না। প্রধান পরীক্ষকের চিঠি পৌঁছাল বর্ধমান রিজিয়নাল অফিসে। চিঠির প্রতিলিপি পাঠানো হল হেড অফিস অর্থাত্ কলকাতায়।
 
২৮ -০৬-২০১২
নতুন এক পরীক্ষক, চিঠি লিখলেন শিক্ষা সংসদের সচিবকে। চিঠিতে বললেন, সচিবের নির্দেশমতো ওই বিশেষ ছাত্রের খাতা তিনি পরীক্ষা করেছেন। ওই ছাত্রের খাতা দেখা ঠিকভাবেই হয়েছে। তবে চাইলে এক নম্বর বাড়ানো যেতে পারে। এই চিঠির উত্তরে সচিব ওই পরীক্ষককে নিজের সই সহ ধন্যবাদ জানিয়ে চিঠি পাঠান।

২৬-০৬-২০১২
রাজ্যের অন্য ছাত্ররা রিভিউয়ের নম্বর হাতে পেল না কিন্তু সেই বিশেষ ছাত্রের হাতে নতুন বর্ধিত নম্বরের মার্কশিট তুলে দেওয়া হল।


কিন্তু কীভাবে ঘটল এমনটা? প্রধান পরীক্ষক জানিয়ে দেওয়ার পরেও কীভাবে অন্য একজন পরীক্ষককে দিয়ে একটি বিশেষ ছেলেটির খাতা দেখানো হল? সচিবের এই কাজ করা কতটা ন্যায় সম্মত ? উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের নিয়ম অনুযায়ী কোনও খাতার মূল্যায়নের ক্ষেত্রে প্রধানপরীক্ষকের বক্তব্যই শেষ কথা। সেক্ষেত্রে হাইকোর্টের নির্দেশ ছাড়া একটি বিশেষ ছাত্রের খাতা এভাবে পছন্দমত অন্য পরীক্ষককে দেখানো যায় না। এমনটাই বলছেন সংসদের প্রাক্তন সচিব। গোটা ঘটনায় উচ্চমাধ্যমিকের শিক্ষা সংসদের সচিবের বিবৃতিতেও ধরা পড়েছে বিভ্রান্তি। সচিবের মতে, সম্মিলিতভাবেই নেওয়া হয়েছে অন্য পরীক্ষককে দিয়ে খাতা দেখানোর সিদ্ধান্ত। যদিও, শিক্ষা সংসদের সভাপতি জানিয়েছেন তিনি এই বিষয়ে কিছুই জানেন না। কিন্তু এভাবে নিয়ম ভেঙে এক নম্বর কেন বাড়ানো হল? সূত্র বলছে এই এক নম্বর বাড়ানো না হলে ছেলেটির ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার সুযোগ হাতছাড়া হয়ে যেত। কিন্তু সেই সুযোগ দিতে সচিবের আর সেইজন্যই শিক্ষা সংসদের সচিব নিজে থেকে এই উদ্যোগ নিয়ে একজন ছাত্রকে নিয়মের তোয়াক্কা না করে নম্বর পাইয়ে দিলেন।

 
 
 
 








Post Your Comment

Total Comments:8

Respected sir, I am interest to give an information at sonarpur vidyapith,kol-150, in this year in H.S exam have a excellent result in arts subject but in English paper everyboby got avg. marks 67. Is it possible? only one get 70.It is real fact ,my sister also suffer and can not get chance in English Honours in choice able college.

all are possible because it is West Bengal.Totally corrupted all the sector ......nothing to says..only depression for meritorious students.

এমন আরো অনেক ছাত্র-ছাত্রী আছে যারা এক বা দুই নম্বরের জন্য় ইন্জিনীয়ারিং বা ডাক্তারি পড়ার সুযোগ পায় না । অনেকে ফার্স্ট ডিভিশন, লেটার পায় না সংসদ তাদের কথা ভেবে দেখে কি? আর বিশেষ ছাত্র টি হয়ত সত্য়ি-ই ``বিশেষ`` কেউ তাই হয়ত........

এমন আরো অনেক ছাত্র-ছাত্রী আছে যারা এক বা দুই নম্বরের জন্য় ইন্জিনীয়ারিং বা ডাক্তারি পড়ার সুযোগ পায় না । অনেকে ফার্স্ট ডিভিশন, লেটার পায় না সংসদ তাদের কথা ভেবে দেখে কি? আর বিশেষ ছাত্র টি হয়ত সত্য়ি-ই ``বিশেষ`` কেউ তাই হয়ত........

এমন আরো অনেক ছাত্র-ছাত্রী আছে যারা এক বা দুই নম্বরের জন্য় ইন্জিনীয়ারিং বা ডাক্তারি পড়ার সুযোগ পায় না । অনেকে ফার্স্ট ডিভিশন, লেটার পায় না সংসদ তাদের কথা ভেবে দেখে কি? আর বিশেষ ছাত্র টি হয়ত সত্য়ি-ই ``বিশেষ`` কেউ তাই হয়ত........

It is `Paribartan Sarkar`. Don`t argue, then you are CPM.

It is `Paribartan Sarkar`. Don`t argue, then you are CPM.

It is `Paribartan Sarkar`. Don`t argue, then you are CPM.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।