রাজ্যপাল সরানো নিয়ে ফের একবার মোদী বনাম মমতা। সরানো হতে পারে নারায়ণনকে

রাজ্যপাল সরানো নিয়ে ফের একবার কেন্দ্রের সঙ্গে সংঘাতের পথে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, রাজ্যের সঙ্গে কোনওরকম আলোচনা ছাড়া সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিকভাবে রাজ্যপালদের সরানোর উদ্যোগ নিচ্ছে মোদী সরকার।

Updated: Jun 17, 2014, 09:39 PM IST

রাজ্যপাল সরানো নিয়ে ফের একবার কেন্দ্রের সঙ্গে সংঘাতের পথে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, রাজ্যের সঙ্গে কোনওরকম আলোচনা ছাড়া সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিকভাবে রাজ্যপালদের সরানোর উদ্যোগ নিচ্ছে মোদী সরকার।

সাত রাজ্যের রাজ্যপাল সরানো নিয়ে বিতর্কে নরেন্দ্র মোদী সরকার। মঙ্গলবার ইউপিএ আমলে নিযুক্ত সাত রাজ্যের রাজ্যপাল সরানোর তোড়জোড় শুরু হতেই ইস্তফা দেন উত্তরপ্রদেশের রাজ্যপাল বি এল যোশী। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করেন অসমের রাজ্যপাল জে বি পট্টনায়েক ও কর্নাটকের রাজ্যপাল এইচ আর ভরদ্বাজ। জল্পনা দানা বাঁধে দুজনের ইস্তফা নিয়েও।

প্রধানমন্ত্রীর অফিস সূত্রে জানা যাচ্ছে সরানো হতে পারে রাজ্যপাল এম কে নারায়ণনকে। পশ্চিমবঙ্গ সহ বেশ কয়েকটি রাজ্যে রাজ্যপাল বদল হতে চলেছে। ইতিমধ্যেই উত্তরপ্রদেশের রাজ্যপাল বি এল যোশী, অসমের রাজ্যপাল জে বি পট্টনায়েক ও কর্নাটকের রাজ্যপাল এইচ আর ভরদ্বাজ পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে। প্রধানমন্ত্রীর অফিস সূত্রে খবর, পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও রাজ্যপাল বদল হতে পারে কেরল, ত্রিপুরা, মহারাষ্ট্র, রাজস্থান, গুজরাতে। যাঁরা পদত্যাগ করবেন না তাঁদের বদলি করা হতে পারে ।

এবছরের শেষেই মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা আট রাজ্যপালের। শিগগিরি ওইসব রাজ্যে রাজ্যপাল বদল করতে চায় কেন্দ্র। রাজ্যপাল হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন লালজি ট্যান্ডন, কেশরীনাথ ত্রিপাঠি, ভিকে মালহোত্রা, কল্যাণ সিংয়ের মতো কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় জায়গা না পাওয়া প্রবীণ বিজেপি নেতারা। এরইমধ্যে বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন বিজেপি নেতা সুব্রমণ্যম স্বামী। তাঁর মন্তব্য, বর্তমান রাজ্যপালদের মধ্যে অনেকেই সনিয়া গান্ধী ঘনিষ্ঠ ।যোগ্যতার বদলে কংগ্রেস সভানেত্রী আনুগত্যের ভিত্তিতেই তাঁদের বাছা হয়েছিল। তাই অবিলম্বে তাঁদের পদত্যাগ করা উচিত।