মহানগরের রাজপথে পাঁচ ঘণ্টায় চারজনের শ্লীলতাহানি

Update: January 29, 2013 12:46 IST

দেশের অনান্য মহানগরীগুলির থেকে কলকাতা নারীদের জন্য সুরক্ষিত। সাম্প্রতিক সমীক্ষা থেকে রাজ্যের মন্ত্রীদের লাগাতার দাবি, সব জায়গাতেই বারবার উঠে এসেছে এই তথ্য। কিন্তু সত্যিই কী কলকাতা সুরক্ষিত? সন্ধ্যা সাতটা, রাত নটা, রাত এগারোটা ও রাত বারোটা। মাত্র পাঁচ ঘণ্টার ব্যবধানে শহরের চারটি বিভিন্ন স্থানে চারটি শ্লীলতাহানির অভিযোগ নথিভুক্ত হল থানায়। যদিও প্রত্যেকটি ঘটনাতেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিস, তবুও এই ঘটনাগুলো কলকাতার নারীসুরক্ষার গর্বকে বড়সড় চ্যালেঞ্জের মধ্যে ফেলে দিল।

সন্ধ্যা সাতটায় শ্যামবাজারের রেস্তোঁরা থেকে বেরনোর সময় এক মহিলাকে সাংবাদিককে শ্লীলতাহানি করেন এক বিএসএফ জওয়ান। ঘটনার সময় মণীশ রাজিন্দর নামে ওই জওয়ান মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন বলে জানা গেছে। এর ঠিক ঘণ্টা দুই পরে দ্বিতীয় ঘটনা ঘটে রাত নটায় রিজেন্টপার্কে। বাঁশদ্রোণী থেকে অটোয় বিবেকানন্দ পার্কে ফেরার পথে এক ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি করে সংশ্লিষ্ট অটোচালক। অভিযুক্ত অটোচালককে গ্রেফতার করেছে পুলিস। রাত ১১টায় নর্থপোর্ট থানা এলাকায় বাগবাজার ঘাটে স্বামীর সঙ্গে বেরিয়ে শ্লীলতাহানির শিকার হন এক মহিলা। সুশান্ত সিং নামে  অভিযুক্ত  ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিস। ওই মহিলার বাড়ি বিধাননগর থানা এলাকায়। রাত বারোটায় কসবা থানা এলাকায় প্রাক্তন প্রেমিকাকে শ্লীলতাহানি করে এক ব্যক্তি। বাবলু গুপ্ত নামে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিস।

ধর্ষণ এবং শ্লীলতাহানির মত অপরাধ এবং সেই অপরাধের থানায় নথিভুক্ত হওয়ার অনুপাত প্রমাণিত ভাবেই আমাদের দেশে অতন্ত কম। তা স্বত্বেও মাত্র পাঁচ ঘণ্টার ব্যবধানে শহরের বিভিন্ন স্থানে চারটি শ্লীলতাহানির ঘটনা প্রকাশ্যে এলেও আসলে এই পাঁচ ঘণ্টায় ঘটে যাওয়া নারী লঞ্চনার ঘটনা যে অনেক বেশি তা স্বীকার করে নিচ্ছেন সবাই। এর পরেও কলকাতাকে নারীদের জন্য সুরক্ষিত বলা যায় কী না তা নিয়ে প্রশ্ন কিন্তু থেকেই যাচ্ছে।





Post Your Comment

Total Comments:6

bapar ta ho66e asole ``gari dekhe rasta par hon``er moto loke akn rastay gari dekhle tobei rasta par hoy,r rasta faka thakle frnd er sathe golpo kore.serokm e cm amader sotti kothai bolen j nari surokhay amra protho,kintuamrai vul bujhi j uni prothom diker kotha bol6en,asole uni j ses diker kotha bolen seta amra bujhi na.uni moteo mithya badini non.sototar protik.

if cpm police arrest this romeo then police had done good job but now it show the crime increase in kolkata.if want to learn how to show a positive thing instead of negative learn form 24ghanta.they r not only opposing some political party but defame bengal piqture to hole world.that`s why now 2 zee`s journalist behind bar?

atai to poribarton

Sorkar charidike surokha katha na bole. a dike najar din.

well done by police... atai ja poribartan..

ETAI TO PORIBARTANER MAHANAGAR..... MAHILADER SURAKKHA NAI ,APARADHER MAHANAGAR AR SAIRACHARI SASAK

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।