মুখোমুখি সূর্যকান্ত মিশ্র: কী বললেন

২৪ ঘণ্টার স্টুডিওয় মুখোমুখি সূর্যকান্ত মিশ্র। লাইভ পড়ুন-

Updated: Jul 2, 2013, 07:08 PM IST

২৪ ঘণ্টার স্টুডিওয় মুখোমুখি সূর্যকান্ত মিশ্র। লাইভ পড়ুন-
আমরা খুশি পঞ্চায়েত নির্বাচন হচ্ছে তাই। কিন্তু অখুশি অসময়ে হচ্ছে বলে। 
সরকারের সদিচ্ছার অভাবেই এই সময়ে ভোট হচ্ছে। ভোট আগেই হতে পারত।
নির্বাচন নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায়ই চূড়ান্ত। কিন্তু রাজ্য সরকারের সদিচ্ছার অভাবেই নির্বাচনে বিলম্ব। সরকারের ইচ্ছা থাকলে রমজান মাস আর বর্ষার আগেই নির্বাচন হতে
পারত।
আমরা নির্বাচন কমিশনারের এক্তিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তুলিনি।
প্রত্যেক পদে নির্বাচন কমিশন কে বাধা দিয়েছে রাজ্য। নির্বাচনেই বাধা দিতে চেয়েছিল।
রাজ্য সরকার চাইছিল নির্বাচনে শুধু তৃণমূল প্রার্থীরা মননয়ন পত্র পাক। চাইছিল যাতে তৃণমূলকেই যারা ভোট দেবেন তারাই থাকুক। নির্বাচন কমিশনকে সরকার তাই বাধা দিচ্ছিল
মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে মানুষের বিচ্ছিন্নতা বাড়ছে। তাই অবাধ নির্বাচনে তিনি বাধা দিচ্ছিলেন।
   
আমাদের সময়ে কিছু কিছু ক্ষেত্রে মানুষের অধিকার খর্বিত হয়েছে। কিন্তু বাম সরকার কখনই তাতে অনুমোদন দেয়নি। আমাদের সদিচ্ছা ছিল অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচনের।
   
যাঁরা মানুষের অধিকার খর্বিত করে আমরা তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছিলাম।বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের দলের অভিযুক্তদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন।
কামদুনি কাণ্ডে মুখ্যমন্ত্রী মাওবাদীর তকমা জুড়ে দিতে চেয়েছেন এলাকাবাসীর গায়ে।
রাজ্যজুড়ে সামগ্রিক সঙ্কট চলছে। এতজন কৃষক আত্মহত্যা করলেন, স্বীকার করলেন না মুখ্যমন্ত্রী।
প্রসঙ্গ গার্ডেনরিচ: পুলিসের হাতে বন্দুক নেই, তৃণমূলের হাতে বন্দুক।
সরকার স্বৈরাচারী মনোভাব নিয়ে চলছে।
আক্রান্ত হয়েছে সংবাদমাধ্যম।
মুখ্যমন্ত্রীর মনোভাব গণতান্ত্রিক নয়।
ভোর ৬টা থেকে বিকেল ৪টে অবধি ভোট হলে রমজান মাসে সংখ্যালঘুদের কিছুটা সুবিধা হবে।
সুবিধাবাধী কেউ ক্ষমতায় এলে অপূরণীয় ক্ষতি হয়।
এই সরকারের দুই বছরেই অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে।
রাজ্যের অর্থনীতি মুখ থুবড়ে পড়েছে।
কামদুনিতে মিছিল করতে গিয়ে বর্ষীয়ান মহিলা বাম কর্মীরা আক্রান্ত হয়েছেন।
কামদুনির মেয়েরা কোন দলের জানতে চাইনি। কিন্তু কামদুনির মেয়েরা যে দৃঢ়তার সঙ্গে প্রতিরোধ করেছেন সেটা ৩৪ বছরের বাম আমলের সাফল্য।
বামপন্থীরা ভোটের পার্টি নয়।
বাম গণতান্রিক বিকল্প ছাড়া শুধু রাজ্য কেন সারা দেশেই কোনও বিকল্প নেই।
মুখ্যমন্ত্রীর শুধু তৃণমূল দল আর রাজ্যসরকারটাকেই ভাঙতে বাকি রেখেছেন। উনি কী করে কোনও ফেডেরাল ফ্রন্ট তৈরি করবেন?
এই সরকার আমাদের সবার টেলিফোনে আড়ি পাতে।
পুলিসকে জিজ্ঞাসা করলেই এর উত্তর পাওয়া যাবে।
এই সরকার নিজেদের দলের নেতা, সাংসদদের ফোনেও আড়ি পাতে।
অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হলে বামফ্রন্টের ফলাফল মানুষের রায়ের ভিত্তিতে গতবারের তুলনায় ভাল হবে।