মুন্নাকে রাতভর জেরা করে মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য

১৪ দিনের সিআইডি হেফাজত হল গার্ডেনরিচ কাণ্ডে মূল অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা মুন্নার। আজ বিকালে মুন্নাকে সিআইডি হেফাজতের নির্দেশ দেয় আলিপুর আদালত। এদিনই পুলিস খুনে জড়িত থাকার অভিযোগে তৃণমূলের এই বরো চেয়ারম্যানকে আদালতে পেশ করা হয়। জামিনের আর্জি জানিয়েছিল মুন্না। কিন্তু তা খারিজ করা দেয় আদালত। ১৪ দিনের হেফাজত চেয়েছিল সিআইডি। সে কথা মেনে নেয় আদালত। শারীরিক পরীক্ষার পর তাঁকে আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।

Updated: Mar 9, 2013, 10:45 AM IST

শনিবার রাতভর দফায় দফায় জেরা করার পর গার্ডেনরিচ কাণ্ডে অন্যতম মূল অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা মহম্মদ ইকবাল চাঞ্চল্যকর কথা বললেন। মহম্মদ ইকবাল ওরফে মুন্নার গতিবিধি জানতে  তাঁকে জেরা করেন সিআইডি কর্তারা৷ গার্ডেনরিচে হরিমোহন ঘোষ কলেজে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের দিন দুষ্কৃতীর গুলিতে এসআই তাপস চৌধুরির মৃত্যুর পর কয়েকদিন গা ঢাকা দিয়ে থেকে কলকাতা ছাড়ার পর পাটনা, আলিগড় ও লখনউ ছাড়া মুন্না আর কোথায় গিয়েছিলেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে৷ এমনকী ঘটনার পরপরই কলকাতায় থাকাকালীন কার কার সঙ্গে মুন্না যোগাযোগ করেছিলেন, তাও জানার চেষ্টা চলছে৷
১৪ দিনের সিআইডি হেফাজত হল গার্ডেনরিচ কাণ্ডে মূল অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা মুন্নার। আজ বিকালে মুন্নাকে সিআইডি হেফাজতের নির্দেশ দেয় আলিপুর আদালত। ২০ মার্চ অবধি মুন্নাকে সিআইডি হেফাজতে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়। এদিনই পুলিস খুনে জড়িত থাকার অভিযোগে তৃণমূলের এই বরো চেয়ারম্যানকে আদালতে পেশ করা হয়। জামিনের আর্জি জানিয়েছিল মুন্না। কিন্তু তা খারিজ করা দেয় আদালত। ১৪ দিনের হেফাজত চেয়েছিল সিআইডি। সে কথা মেনে নেয় আদালত। শারীরিক পরীক্ষার পর তাঁকে আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।

পড়ুন মুন্নার মেয়ে কী দাবি করছেন

সকালে কলকাতায় আনা হয় গার্ডেনরিচ কাণ্ডে অন্যতম অভিযুক্ত মহঃ ইকবাল ওরফে মুন্নাকে। আজ সকালে গয়া থেকে কালকা মেলে কড়া নিরাপত্তায় মুন্নাকে হাওড়া নিয়ে আসা হয়। সেখান থেকে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় ভবানীভবনে।
গতকাল মুন্নাকে বিহারের গয়া আদালতে তোলা হয়েছিল। আদালত ধৃতকে দুদিনের ট্রানজিট রিমান্ডে সিআইডির হাতে তুলে দেয়।
গতকাল বিহারের ডেহরি অন শোন থেকে মুন্নাকে গ্রেফতার করে বিহার পুলিস। তার কাছ থেকে এক লক্ষ টাকাও উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ধরা পড়ার পর সে পালানোর চেষ্টা করেছিল বলে পুলিস সূত্রে খবর।
প্রসঙ্গত গত মাসে গার্ডেনরিচের হরিমোহন ঘোষ কলেজে কলেজ নির্বাচনে মনোয়ন পত্র তোলাকে কেন্দ্র করে কংগ্রেস ও তৃণমূল কংগ্রেসের ছাত্র সংগঠনের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ সামাল দিতে এসে দুষ্কৃতীর গুলিতে প্রাণ হারান পুলিস কর্মী তাপস চৌধুরী। ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে এই সংঘর্ষকে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক তথা বরো চেয়ারম্যান মহম্মদ ইকবালের বিরুদ্ধে। কিছুদিন আগে ঘটনায় আরেক অভিযুক্ত কংগ্রেস কর্মী মোক্তারকে গ্রেফতার করে পুলিস। কিন্তু ফেরার ছিল মুন্না। গতকাল অবশেষে সিআইডির জালে ধরা পড়ল মুন্না।