কিশলয়ে উল্টো করে ছাপা হল জাতীয় পতাকা, নিন্দা সব মহলে

Update: January 2, 2013 19:58 IST

উল্টো করে ছাপা হল জাতীয় পতাকা। যেখানে সেখানে নয়, ছাপা হয়েছে সরকারি পাঠ্যবইয়ে। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ এবছর ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে হিন্দি অনুবাদের যে কিশলয় তুলে দিয়েছে তাতেই উল্টো করে ছাপা রয়েছে জাতীয় পতাকা। প্রশ্ন উঠেছে সরকারি বইয়ে কার দোষে এই মারাত্মক ভুল হল। কার গাফিলতিতে জাতীয় পতাকার এমন অবমাননা তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। এ ব্যাপারে সরকারি তরফে কোনও ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।  

এই ছবি প্রাথমিক পর্ষদের দ্বিতীয় শ্রেণির কিশলয়ের। বইয়ের ৪৫ নম্বর পাতায় এভাবেই উল্টো করে ছাপা হয়েছে জাতীয় পতাকা। ওপরে সবুজ, মাঝে সাদা এবং সবার শেষে গেরুয়া রং। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ, হিন্দি অনুবাদের এই কিশলয়ই তুলে দিয়েছে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে। যা নিয়ে শুরু হয়েছে তুমুল সমালোচনা। ইতিমধ্যে অনেক ছাত্র-ছাত্রীর হাতে চলে গেছে এই বই। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন শিক্ষাবিদ সুনন্দ সান্যাল।
 
 প্রশ্ন উঠেছে কার গাফিলতিতে এই ঘটনা ঘটল। সরকারের ছাপানো বইয়ে কীভাবে হল এই মারাত্মক ভুল। যদিও সরকারের তরফে এখনও তার কোনও ব্যাখ্যা মেলেনি। কিন্তু শিশুদের সঠিক শিক্ষা দেওয়ার লক্ষ্যে যে বই, তাতেই এই মারাত্মক গাফিলতি কেন? তারও কোনও উত্তরই মেলেনি। ইতিমধ্যে যেসব স্কুলে  বই দেওয়া হয়েছে সেসব জায়গা থেকে বই  তুলে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। কিন্তু বই তুলে নিলেই কী গাফিলতি ঢাকা যায়। উঠছে সে প্রশ্নও।
 

Post Your Comment

Total Comments:4

It is again proved that T.M.C is completely inefficient to run the state. Specially Mamata Banerjee has to take the whole responsibility of this misdeed because it is she who puts all the inefficient party-men to get control over the whole system.

পুরো ব্যাপারটার জন্য দায়ী মমতা ব্যানার্জী এবং তৃণমূল কংগ্রেস। যখনই সামান্যতম ভাল কিছু ঘটে এমনকী অন্যের দ্বারা হলেও মমতা ব্যক্তিগতভাবে তার কৃতিত্ব নেওয়ার জন্য যেরকম হ্যাংলামি করে তেমনই ভুলগুলোর জন্য ওকেই ব্যক্তিগতভাবে দায়ী করা উচিত। উদ্ধত,বেপরোয়া,নির্লজ,কু-শিক্ষিত,সমাজবিরোধী,চাটুকার পরিবৃত হয়ে ভাবছে নিজেকে বিশাল কিছু। ইতিহাসের আঁস্তাকুড় এদের জন্যই তৈরী হয়। এখন যেমন ভাঁওতা ছবির প্রদর্শনী করছে। যেমন ভাঁওতাবাজী দিয়ে পিএইচডি করার কথা বলেছিল বছর কয়েক আগে।

Jekhane paglu ganer moddho diye shohid dibos palon kora hoy,udom nacher moddhe nortokider opor taka borson kore, deser manuser manosikoter biruddhacharon kore trimuli utsob korata dostur sekhane trinomuli biddotjon sikkhabid bachari sunondo babubhai kichhui korte parben naa karon biddotjonera poriborton cheyechhilen tai chhapaye poriborton hoyechhe

Er nam Paribartan. Go ahead

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।