সরকারি হলে সভার জন্যও সরকারের নয়া ফরমান

একের পর এক বিরোধিতার মুখে এবার সরকারের নতুন ফরমান। সরকারি হলে অনুষ্ঠান করতে গেলে নিতে হবে লালবাজারের অনুমোদন। এর আগে কলকাতার রাজপথে সভা করার ক্ষেত্রে এমনই ফরমান জারি করেছিল তৃণমূল সরকার। নজরদারি চালানোর জন্য এবং সরকার বিরোধী মতপ্রকাশে বাধা দেওয়ার জন্য এমন ফরমান জারি হয়েছে বলে মনে করছেন সমাজের বিভিন্ন অংশের মানুষ।  

Updated: Feb 9, 2013, 09:44 AM IST

একের পর এক বিরোধিতার মুখে এবার সরকারের নতুন ফরমান। সরকারি হলে অনুষ্ঠান করতে গেলে নিতে হবে লালবাজারের অনুমোদন। এর আগে কলকাতার রাজপথে সভা করার ক্ষেত্রে এমনই ফরমান জারি করেছিল তৃণমূল সরকার। নজরদারি চালানোর জন্য এবং সরকার বিরোধী মতপ্রকাশে বাধা দেওয়ার জন্য এমন ফরমান জারি হয়েছে বলে মনে করছেন সমাজের বিভিন্ন অংশের মানুষ।  
আগে কলকাতার যে কোনও পথেঘাটে সভা করার অনুমতি দিত সংশ্লিষ্ট থানা। তৃণমূল শাসিত নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পরই বলে দেওয়া হয়, অনুমোদন নিতে হবে লালবাজার থেকে। তা না করলে কলকাতার পথেঘটে কোনও সভা নয়। এবার একইভাবে সরকারি হলগুলির ক্ষেত্রেও জারি হয়েছে এমন নির্দেশিকা।   
আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং সরকারি সম্পত্তির রক্ষণবেক্ষণের জন্য নির্দেশ জারি করা হচ্ছে, যে এখন থেকে মৌলালি যুবকেন্দ্রের প্রেক্ষাগৃহ ভাড়া নিতে হলে পুলিস কর্তৃপক্ষের থেকে নো অবজেকশন নেওয়াটা বাধ্যতামূলক। তবে কোনও সরকারি সংস্থার ক্ষেত্রে এই নিয়মে ছাড় দেওয়া হবে। যদিও তা মানতে নারাজ গণ আন্দোলনকারীরা।
একইরকম ভাবে কোনও কারন না দেখিয়েই অনীক পত্রিকার সম্পাদক এবং এপিডিআরের প্রতিষ্ঠাতা সদস্যের ক্ষেত্রেও অনুষ্ঠান করার অনুমোদন দেয়নি বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবার্ষিকী হল।
মুখ্যমন্ত্রীর আচরণের মতোই তাঁর সরকারের এই নির্দেশিকা বলে অভিযোগ উঠেছে।