দুর্ঘটনায় আহত ১৭, আপাতত বন্ধ রাখার নির্দেশ নিক্কোপার্ক

Update: August 21, 2012 18:33 IST

আপাতত নিক্কোপার্ক বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হল। পুলিসের প্রাথমিক তদন্তে কর্তৃপক্ষের গাফিলতি প্রমাণিত হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রবল উত্তেজনা ছড়ায় কলকাতার অ্যাডভেঞ্চার পার্কে। ওয়াটার রাইডের সময় তার ছিঁড়ে দুর্ঘটনা ঘটে।

মঙ্গলবার সাড়ে ৩টে। ভিড়ে ঠাসা নিক্কোপার্কের ওয়েট অ্যান্ড ওয়াইল্ড। হঠাত্‍-ই ১৭জনকে নিয়ে ১৩ ফুট ওপর থেকে ভেঙে পড়ল ওয়াটার রাইডের ফাইবার স্লাইডের একটি অংশ। আহত হন প্রত্যেকেই। সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ করে দেওয়া হয় সবকটি রাইড। নিমেশে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। দ্রুত আহতদের নিয়ে যাওয়া হয় বিধাননগর মহকুমা হাসপাতাল এবং স্থানীয় একটি নার্সিংহোমে। পরে ১৬ জনকে পাঠানো হয় অ্যাপেলোতে। আহতদের মধ্যে ১০ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আহতদের মধ্যে ইমরান নামে ১৩ বছরের একটি শিশুও রয়েছে। তার কোমর এবং বা পায়ের হাড় ভেঙে গেছে। এএমআরআই হাসপাতালে চিকিত্‍সাধীন ইমরান। দুর্ঘটনার পরই ওয়েট অ্যান্ড ওয়াইল্ড বন্ধ করে দেওয়া হয়। উত্তেজিত জনতা নিক্কোপার্কের বিভিন্ন অংশে ভাঙচুর চালায়।

ভেঙে পড়া অংশটি পরীক্ষার জন্য পার্কের ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। ছিয়াত্তর ফুটের এই ওয়াটার রাইডটি ছোট ছোট ফাইবারের স্লাইড দিয়ে তৈরি। সাধারণত একজন সাতফুট এগোনোর পর অন্যজনকে নামতে দেওয়া হয়। অভিযোগ মঙ্গলবার নিরাপত্তরক্ষীদের বাধা অগ্রাহ্য করে একসঙ্গে ২৫ জন নেমে পড়েছিল। কিন্তু অন্যদিনের তুলনায় মঙ্গলবার ভিড় কম ছিল বলেই জানিয়েছে নিক্কোপার্ক কর্তৃপক্ষ। পার্কের রেকর্ড বলছে দৈনিক গড়ে ২৭০০ লোক এই রাইডে ওঠেন। কিন্তু মঙ্গলবার মাত্র ১৫০০ টিকিট বিক্রি হয়। তাহলে কেন ভিড় সামাল দেওয়া গেল না তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
 
 









Post Your Comment

Total Comments:2

Amer mone hoy thik moto menten kora hoy na tai ei durghoto na.

ki jala!!!few days back we went their we went their for adventure we fully relied on the technique of the ride and went there for adventure,,,who knew dt technically they are so poor...

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।