গণ-ছুটি বিতর্কে ১২২ জনকে শোকজ

Update: March 18, 2013 21:41 IST

এনআরএসে গণ-ছুটি বিতর্কে ১২২ জন ইন্টার্নকে শোকজ করল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ঘটনার তদন্তে প্রিন্সিপালের নেতৃত্বে তিন সদস্যের  কমিটি গঠন করা হয়েছে।

একসঙ্গে চিঠি লিখে শোকজের জবাব দিয়েছেন ইন্টার্নরা। কিন্তু, এক চিঠিতে নয় পৃথক পৃথকভাবে ১২২ জনকে শোকজের জবাব দিতে নির্দেশ দিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। আপাতত প্রত্যেকে পৃথকভাবে উত্তর দিচ্ছেন। সকলের উত্তর হাতে পাওয়ার পর স্বাস্থ্য দফতরের কাছে রিপোর্ট জমা দেবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

এর আগে, এই ঘটনায়  ইন্টার্নদের আড়াল করার চেষ্টা করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ইন্টার্নদের পক্ষে সাফাই দিয়েছেন মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ শ্রীকান্ত পুরকায়েত জানান, ইন্টার্নরা ডাক্তার নন। তাঁদের রেজিস্ট্রেশন নেই। তাই চিকিত্সার অধিকারও নেই। সেকারণে ইন্টার্নদের ছুটি দেওয়া বা না দেওয়া নিয়ে, তাঁর কোনও দায় নেই বলে দাবি করেছিলেন অধ্যক্ষ। 

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।