প্রসূতির মৃত্যু ঘিরে ফের অশান্ত হাসপাতাল

Update: August 19, 2012 22:54 IST

এক প্রসূতির মৃত্যুর ঘটনায় উত্তেজনা ছড়াল এনআরএস হাসপাতালে। চিকিত্সায় গাফিলতির অভিযোগে হাসপাতালে বিক্ষোভ দেখান রোগীর আত্মীয়েরা। দিন তিনেক আগে হাসপাতালে ডাক্তার দেখাতে আসেন এক প্রসূতি।

হাসাপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রসূতি অসুস্থ হওয়ায় তাঁকে ভর্তি হতে বলা হয়। প্রসূতি তখন হাসপাতালে ভর্তি হননি। গতকাল সঙ্কটজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হন ওই মহিলা। মৃত শিশুর জন্ম দেন তিনি। আজ বিকেলে মারা যান প্রসূতিও। এরপরেই চিকিত্সার গাফিলতির অভিযোগে হাসপাতালে বিক্ষোভ দেখান প্রসূতির আত্মীয়েরা। তাঁদের অভিযোগ রবিবার হওয়ায় হাসপাতালে যথেষ্ট চিকিত্সক ছিলেন না। যদিও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। উত্তেজনা ছড়াল এন্টালি থানার পুলিস ঘটনাস্থলে যায়।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।