বৃদ্ধাকে খুন করে সর্বস্ব লুট চিত্‍পুরে

Update: August 22, 2012 10:08 IST

ফের প্রশ্নের মুখে কলকাতা শহরের নিরাপত্তা। রহস্যজনক ভাবে এক বৃদ্ধাকে খুন করে সর্বস্ব লুঠ করল দুষ্কৃতীরা। পাইকপাড়া অঞ্চলে গতকাল রাতে ডাকাতির ঘটনাটি ঘটেছে।

ফুলরেণু চৌধুরী নামে অবসরপ্রাপ্ত এক ব্যাঙ্ককর্মীর বাড়িতে গতকাল রাতে হামলা চালায় একদল দুষ্কৃতী। বাড়ির পিছনের দিকের জানালার গ্রিল কেটে ঢোকে তারা। আজ সকালে বৃদ্ধার রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে। বৃদ্ধার দেহের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে একটি ক্রিকেটের স্ট্যাম্প। ওই বাড়ি থেকে একজোড়া চটিও উদ্ধার হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে পুলিসের অনুমান, দুষ্কৃতীরা সংখ্যায় দুজনের বেশি ছিল না। নিহত ফুলরেণু চৌধুরী পাইকপাড়ায় দাদার বাড়িতে ৬ বছর ধরে একাই থাকতেন।

চিতপুর থানার পুলিসকে যেটা ভাবাচ্ছে, তা হল খুনের ধরণ। কারণ বৃদ্ধার গা থেকে গয়না লুঠ হলেও, কোনও আলমারি ভাঙার চেষ্টা করেনি দুষ্কৃতীরা। তদন্তে স্নিফারডগকে কাজে লাগায় পুলিস। ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন জয়েন্ট সিপি ক্রাইম পল্লবকান্তি ঘোষ। দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্যে পাঠিয়েছে চিত্পুর থানার পুলিস।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।