দায়িত্ব গ্রহণ না করে ছুটিতে পচনন্দা

Update: February 15, 2013 21:21 IST

কাজে যোগ না দিয়ে ১৫ দিনের ছুটিতে গেলেন আর কে পচনন্দা। গতকাল, পুলিস কমিশনারের পদ থেকে অপসারণের পর  ভেঙে পড়েন তিনি। মহাকরণ সূত্রে খবর, ঘনিষ্ঠ মহলে রাজ্য ছাড়ার ইচ্ছাও প্রকাশ করেন। এরপরই,  ছুটির আবেদন করেন সরকারের কাছে।  নতুন পদে যোগ  না দিয়ে আপাতত কিছুদিনের জন্য অন্তরালে চলে গেলেন প্রাক্তন নগরপাল। 

বৃহস্পতিবার, দিঘা থেকে ফিরে গার্ডেনরিচ-কাণ্ডে তাঁর ক্ষোভের কথা প্রকাশ্যেই জানিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যসচিব-স্বরাষ্ট্রসচিবের সঙ্গে বৈঠকে কলকাতার পুলিস কমিশনারের পদ থেকে আর কে পচনন্দাকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।

বৃহস্পতিবার নিহত পুলিসকর্মী তাপস চৌধুরীর বাড়িতে গিয়েই গার্ডেনরিচ-কাণ্ডের তদন্তে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তারপরই, মহাকরণ- লালবাজারে রটে যায় পুলিস কমিশনারকে সরিয়ে দেওয়া হতে পারে। শেষ পর্যন্ত তাই হয়। আর কে পচনন্দা সহ পাঁচজন পুলিস আধিকারিককে বদলির নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী।

মহাকরণ সূত্রে খবর, অপসারণের সিদ্ধান্তের কথা জানতে পেরেই ভেঙে পড়েন আর কে পচনন্দা। ঘনিষ্ঠ মহলে জানান, এ রাজ্যে আর থাকতে চান না তিনি। পরে, তাঁকে বোঝানো হলে ছুটি চেয়ে সরকারকে চিঠি দেন প্রাক্তন পুলিস কমিশনার। সেই চিঠিতে অবশ্য রাজ্য ছাড়ার ইচ্ছার কথা উল্লেখ না করে ছুটি মঞ্জুরের জন্য আবেদন করেন । 

অন্যরা নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করলেও আর কে পচনন্দা এখনও তা করেননি। বৃহস্পতিবারই, নতুন পুলিস কমিশনার সুরজিত্‍ করপুরকায়স্থকে দায়িত্ব বুঝিয়ে দিলেও ডিরেক্টর সিকিউরিটি ও মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা সংক্রান্ত নতুন কার্যভার গ্রহণ না করেই ছুটিতে গেলেন প্রাক্তন নগরপাল। যদিও, স্বরাষ্ট্র দফতরের দাবি, বিদেশে যাওয়ার জন্য বদলির আগেই ছুটির আবেদন করেছিলেন তিনি। আর কে পচনন্দাকে তাঁর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ায় ক্ষোভ দেখা দিয়েছে পুলিসমহলে। উঠে এসেছে একাধিক প্রশ্ন।

তৃণমূল নেতাদের নির্দেশে কাজ না করাতেই কি সরে যেতে হল আর কে পচনন্দাকে? প্রশ্ন উঠেছে, গার্ডেনরিচের ঘটনার তদন্তের দায়িত্ব কেন দেওয়া হল সিআইডিকে? তবে, কি কলকাতা পুলিসের গোয়েন্দা বিভাগের ওপর আস্থা রাখতে পারলেন না মুখ্যমন্ত্রী? নাকি, গার্ডেনরিচ-কাণ্ডে শাসকদলের দিকে অভিযোগের আঙুল ওঠায় সাধারণ মানুষের নজর ঘোরাতেই পুলিস কমিশনারকে সরিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী?

Post Your Comment

Total Comments:5

MR.PACHNANDA HAS TO REALIZE THAT HE IS A PROUD MEMBER OF INDIAN POLICE SERVICE. HE HAS TAKEN THE OATH TO SERVE THE NATION NOT TO SATISFY ANYONE`S WISH. I HOPE, HE WOULD BE GUIDED BY THE POLICE RULES FOR THE BENEFIT OF COMMON PEOPLE. NONE IS INDISPENSABLE AND CAN BREAK RULES ACCORDING TO HIS/HER WILL.

KI BICHITRO EAI DESH !

amader mukkho-montri mone koran j , uni nirbarchito hoyche onno ghroho ar manus-der vote a. uni bojhar chaste koren na j jara birodhi dol ar suporter chilen tarai onake vote diy jitiychen. uni mukhe jai boluk ` amra ora ` baparte onar kaj ai bojha jay.... amra onek asaa kore apnake vote diychilam..........sob asaa jol ai galo.............

``তৃণমূল নেতাদের নির্দেশে কাজ না করাতেই কি সরে যেতে হল আর কে পচনন্দাকে?`` এটা খুবই সহজ, যদি কেউ না বুঝতে পারে তা হলে নচীকেতার ভাসায় ``মানুষ হল মাখা মোটা``

Mr. Pachnanda should have stand by the side of Ms. Damayanti Sen a few months ago. Instead he stood by the side of administration which tried to spread a falsehood through out Bengal. Now the same act of administration has come to his when he tried to take out the truth. Though belated he should take out the actual truth before the public. I am really afraid to comment because i may be targeted and punished by the political party.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।