পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে আজ ফের কমিশনকে চিঠি দেবে রাজ্য

Update: March 17, 2013 22:48 IST

পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে কমিশন ও সরকারের সংঘাত এখনও শেষ হয়নি। সম্ভবত সোমবার ভোটের নির্ঘণ্ট জানিয়ে কমিশনকে ফের চিঠি দেবে সরকার। তাতে সরকার সম্ভবত পুরনো অবস্থানের কথাই জানাবে। তবে ভোট নিয়ে শাসক দলের সুর এখন অনেকটাই নরম। রাজনৈতিক মহলের ধারনা, কমিশনের সঙ্গে আলোচনার পথেই হয়তো সংঘাত এড়াতে চাইছে সরকার।     

পঞ্চায়েত ভোটের নির্ঘণ্ট নিয়ে রাজ্য নির্বাচনের সঙ্গে সংঘাতে রাজ্য সরকার। এই যুদ্ধে রাজ্য সরকারের হাতিয়ার পঞ্চায়েত আইন। অন্য দিকে, রাজ্য নির্বাচন কমিশনের শক্তি সংবিধান নির্দিষ্ট ক্ষমতা। সম্ভবত এই কারণেই রাজ্য সরকার বুঝতে পারছে, কমিশন কোর্টে গেলে অসুবিধায় পড়তে হবে। হয়তো তাই সুর অনেকটাই নরম শাসকদলের।  

মহাকরণ সূত্রের খবর, রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করে সমঝোতার ভার দেওয়া হয়েছে মুখ্যসচিবকে। তবে রবিবার পর্যন্ত মুখ্যসচিব কমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করেননি। সোমবারই ভোটের নির্ঘণ্ট জানিয়ে কমিশনকে ফের চিঠি দিতে পারে সরকার। চিঠিতে ২৪ ও ২৭ এপ্রিল দু`দফায় ভোট আর প্রয়োজনে ঝাড়খণ্ড থেকেও বাহিনী মোতায়েন করার কথা বলা হবে বলেই জানা গেছে। বিরোধীরা কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি তুলছেন। 

তৃণমূল সূত্রের খবর, কমিশনের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছতে ভোট মে মাসে করতেও রাজি হতে পারে সরকার। কমিশন অবশ্য কেন্দ্রীয় বাহিনীর অধীনে তিন দফায় ভোট করার প্রস্তুতিই নিচ্ছে।







Post Your Comment

Total Comments:1

be quick panchayet poll

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।