পঞ্চায়েত জট কাটাতে আদলতের রায় ১০ তারিখ

অবশেষে পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে জটিলতা কাটতে চলেছে। আগামী ১০ মে, শুক্রবার এই মামলার রায় ঘোষণা করবে কলকাতা হাইকোর্ট। তবে, ওইদিন পুরো রায়ের বদলে রায়ের কার্যকরী অংশটুকু জানা যাবে। অর্থাৎ সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন পরিচালনার জন্য রায়ের যে অংশ প্রয়োজন শুক্রবার সেটাই জানাবেন বিচারপতি বিশ্বনাথ সমাদ্দার।

Updated: May 9, 2013, 11:37 AM IST

অবশেষে পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে জটিলতা কাটতে চলেছে। আগামী ১০ মে, শুক্রবার এই মামলার রায় ঘোষণা করবে কলকাতা হাইকোর্ট। তবে, ওইদিন পুরো রায়ের বদলে রায়ের কার্যকরী অংশটুকু জানা যাবে। অর্থাৎ সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন পরিচালনার জন্য রায়ের যে অংশ প্রয়োজন শুক্রবার সেটাই জানাবেন বিচারপতি বিশ্বনাথ সমাদ্দার।
শেষপর্যন্ত কাটতে চলেছে পঞ্চায়েত জট। পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে রাজ্য সরকার বনাম রাজ্য নির্বাচন কমিশন মামলার রায় ঘোষণা করতে চলেছে কলকাতা হাইকোর্ট। শুক্রবার এই মামলার রায়ের কার্যকরী অংশ ঘোষণা করবেন বিচারপতি বিশ্বনাথ সমাদ্দার। শুক্রবারের রায়ে যেসব সমস্যার সমাধান হতে চলেছে সেগুলি হল।
 
নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা:
নির্বাচনী বিধি অনুসারে নির্বাচনের দিন ঘোষণার আগে ২১ থেকে ৩৫ দিন সময় প্রয়োজন। রাজ্য জানিয়েছিল, ১০ জুনের মধ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন করতে না পারলে সাংবিধানিক সংকট তৈরি হবে। শুক্রবারের রায়ের ফলে ১০ জুনের মধ্যে নির্বাচন করতে সমস্যা থাকবে না।
 
 রাজ্য সরকারের দাবি ছিল পঞ্চায়েত নির্বাচনের জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনীর কোনও প্রয়োজন নেই। রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দাবি ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী ছাড়া পঞ্চায়েত নির্বাচন সম্ভব নয়। শুক্রবার এবিষয়ে রায় দেবে কলকাতা হাইকোর্ট।
 
রাজ্য সরকারের সঙ্গে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের মতান্তরের অন্যতম কারণ ছিল খরচ। রাজ্য সরকার জানায় পঞ্চায়েত নির্বাচনের খরচ বাবদ ১০০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন জানায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর আনার জন্য আরও অর্থের প্রয়োজন। এ বিষয়েও শুক্রবার রায় দেবেন বিচারপতি সমাদ্দার।
 
পর্যবেক্ষক নিয়োগ:
কমিশনের অভিযোগ ছিল পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে কাজকর্ম শুরু হওয়ার পরও যাঁরা পর্যবেক্ষক হবেন এমন সরকারি আধিকারিকদের বদলি করে দেওয়া হয়েছিল। এ বিষয়েও রায় জানাবেন বিচারপতি বিশ্বনাথ সমাদ্দার। মামলার আরেকটি দিক ছিল সাংবিধানিক মতবিরোধ। রাজ্য নির্বাচন কমিশন ও রাজ্য সরকারের অধিকার নিয়ে বিরোধ।
 
রাজ্য সরকারের বক্তব্য ছিল পঞ্চায়েত নির্বাচন আইনের  ৪২ নং ধারা অনুসারে নির্বাচনের দিনক্ষণ সরকার ঘোষণা করতে পারেন। নির্বাচন কমিশনের পাল্টা দাবি ছিল তাদের সঙ্গে  সহমতের ভিত্তিতেই নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করতে হবে। দুপক্ষই নিজের নিজের সিদ্ধান্তে অনড় থাকায় তৈরি হয়েছিল সাংবিধানিক সংকট। শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের রায়ে অবশ্য সাংবিধানিক বৈধতা সংক্রান্ত বিষয়টি থাকছে না। এবিষয়ে পরবর্তী কালে তাঁর রায় জানাবেন বিচারপতি বিশ্বনাথ সমাদ্দার।