আইনি লড়াইয়ের সেকেন্ড ইনিংস খেলতে প্রস্তুত দু`পক্ষই

হাইকোর্টের পর পঞ্চায়েত লড়াই এবার ডিভিশন বেঞ্চে। আগামিকালই হাইকোর্টের রায়ের ওপর স্থগিতাদেশ চেয়ে ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন জানাতে চলেছে রাজ্য সরকার। তার আগে আইনি লড়াইয়ের প্রস্তুতি চূড়ান্ত করতে আইনজীবীদের সঙ্গে আজ দফায় দফায় বৈঠক করল  সরকার ও কমিশন দুপক্ষই। পঞ্চায়েত মামলা নিয়ে শুক্রবার হাইকোর্টের রায়ের পরই ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন করার সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেন পঞ্চায়েত মন্ত্রী।  

Updated: May 12, 2013, 10:24 PM IST

হাইকোর্টের পর পঞ্চায়েত লড়াই এবার ডিভিশন বেঞ্চে। আগামিকালই হাইকোর্টের রায়ের ওপর স্থগিতাদেশ চেয়ে ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন জানাতে চলেছে রাজ্য সরকার। তার আগে আইনি লড়াইয়ের প্রস্তুতি চূড়ান্ত করতে আইনজীবীদের সঙ্গে আজ দফায় দফায় বৈঠক করল  সরকার ও কমিশন দুপক্ষই। পঞ্চায়েত মামলা নিয়ে শুক্রবার হাইকোর্টের রায়ের পরই ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন করার সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেন পঞ্চায়েত মন্ত্রী।
 
রবিবারই আইনি লড়াইয়ের প্রস্তুতি সেরে ফেলল রাজ্য সরকার। ডিভিশন বেঞ্চে রাজ্যের হয়ে সওয়াল করবেন অ্যাডভোকেট জেনারেল বিমল চ্যাটার্জি।  এদিন বিকেলে তাঁর বাড়িতেই একদফা বৈঠক করেন পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়, আইনমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।
 
বৈঠকে স্থির হয়েছে সোমবার মূলত দুটি বিষয়ে ডিভিশন বেঞ্চের সামনে তুলে ধরবে রাজ্য সরকার। হাইকোর্টের নির্দেশ মতো একদিনের মধ্যে পর্যবেক্ষকদের তালিকা তৈরি করা সম্ভব নয়। কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রশ্নে নিজেদের পুরনো অবস্থানই তুলে ধরবে রাজ্য। রাজ্য মনে করছে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এতটা খারাপ নয়, যাতে পঞ্চায়েত নির্বাচন করানোর জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রয়োজন।
 
রাজ্য সরকারের পাশাপাশি, রবিবার আইনি লড়াইয়ের প্রস্তুতি সারল নির্বাচন কমিশনও। রবিবার কমিশনের আইনজীবী সমরাদিত্য পালের সঙ্গে দু দফায় বৈঠক করলেন রাজ্যের নির্বাচন কমিশনার মীরা পাণ্ডে সহ কমিশনের আধিকারিকরা।
 
ডিভিশন বেঞ্চের রায় সরকারের বিপক্ষে গেলে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়। ফলে রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনের ভবিষ্যত আপাতত বিশবাঁও জলে।