পার্ক স্ট্রিট কান্ডে চার্জগঠনের প্রক্রিয়া ফের পিছিয়ে গেল

পার্ক স্ট্রিট কান্ডে চার্জগঠনের প্রক্রিয়া আরও পিছিয়ে গেল। আগামী ৩১ জানুয়ারি পরবর্তী শুনানি হবে। আইনজ্ঞদের মতে, চার্জ গঠন হলে তবেই পরবর্তী পর্যায় এই মামলাটির বিচার শুরু হবে৷ ঘটনার দিনের সিসিটিভির ফুটেজ পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয় সেন্ট্রাল ফরেন্সিক সায়েন্স ল্যাবরেটরিতে। সিএফএসএলের পক্ষে জানানো হয়েছে ফুটেজে মহিলা এবং অভিযুক্তদের শনাক্তকরণের মত কোনও ছবি নেই ।

Updated: Jan 22, 2013, 04:16 PM IST

পার্ক স্ট্রিট কান্ডে চার্জগঠনের প্রক্রিয়া আরও পিছিয়ে গেল। আগামী ৩১ জানুয়ারি পরবর্তী শুনানি হবে। আইনজ্ঞদের মতে, চার্জ গঠন হলে তবেই পরবর্তী পর্যায় এই মামলাটির বিচার শুরু হবে৷ ঘটনার দিনের সিসিটিভির ফুটেজ পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয় সেন্ট্রাল ফরেন্সিক সায়েন্স ল্যাবরেটরিতে। সিএফএসএলের পক্ষে জানানো হয়েছে ফুটেজে মহিলা এবং অভিযুক্তদের শনাক্তকরণের মত কোনও ছবি নেই । হার্ড ডিস্ক থেকে কি করে সিসিটিভি-র ফুটেজ উধাও হল, তা নিয়ে বিচারবিভাগীয় তদন্তের আবেদন জানিয়েছেন নিগৃহীতার আইনজীবী।
একইসঙ্গে আজ সরকারি আইনজীবী আদালতের কাছে একটি আবেদন জানিয়েছেন। হার্ডডিস্ক গুলি ফের পরীক্ষা এবং প্রত্যায়িত নকল করার আবেদন জানিয়েছেন তিনি। যদিও অভিযুক্তদের আইনজীবীদের বক্তব্য, দ্রুত বিচারপ্রক্রিয়ার জন্য এখানেই কোনও বিশেষজ্ঞকে দিয়ে পরীক্ষা করিয়ে নকল তৈরি করা হোক। প্রায় এক বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পরেও পার্ক স্টিট কান্ডে চার্জগঠনের প্রক্রিয়া পিছিয়ে যাওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছেন অনেকেই।
প্রসঙ্গত, গত ৫ ফেব্রুয়ারি পার্ক স্ট্রিট থেকে গাড়িতে তুলে এক মহিলাকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। সেই মহিলা ৯ তারিখ পার্ক স্ট্রিট থানায় অভিযোগ দায়ের করে। ১৫ ফেব্রুয়ারি বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। নড়েচড়ে বসে পুলিশ-প্রশাসন। তদন্ত শুরু করে কলকাতা পুলিশ।
গোয়েন্দা প্রধান দময়ন্তী সেন দাবি করেন, অভিযোগকারিণীর বয়ানে অসঙ্গতি পাওয়া গেলেও একটা ব্যাপারে তাঁরা নিশ্চিত যে, সেদিন রাতে একটা অপরাধের ঘটনা ঘটেছিল। এবং অভিযোগকারিণী আক্রান্ত হয়েছিলেন।
লালবাজারে গোয়েন্দাপ্রধান এই দাবি করলেও, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মহাকরণে বলেন, পুরো ঘটনাটাই সাজানো৷ সরকারকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা। তদন্তে সব বেরিয়ে আসবে। পরে লালবাজারে পুলিশ কমিশনার আর কে পচনন্দাও মমতার সুর সুর মিলিয়ে বলেন, এই ঘটনা নিয়ে পুলিশ-রাজ্য সরকারকে সমালোচনা করা অনুচিত। যদিও নিজের অবস্থানে অনড় ছিলেন অভিযোগকারিণী।