লিঙ্গ নির্ধারনের পরীক্ষার পরিকাঠামো না থাকায় হেনস্থার অভিযোগ করলেন পিঙ্কি

Update: July 2, 2012 18:24 IST

ক্রোমোজম বিশ্লেষণের জন্য সোমবার এসএসকেএমে রক্তের নমুনা সংগ্রহ করা হল অ্যথলিট পিঙ্কি প্রামানিকের। বেলা সাড়ে এগারোটা নাগাদ দমদম কেন্দ্রীয় সংশোধনাগার থেকে হাসপাতালে আনা হয় পিঙ্কিকে। মেডিক্যাল বোর্ডের সদস্যদের সামনে রক্তের তাঁর নমুনা সংগ্রেহ করা হয়। এসএসকেএমে পরিকাঠামো না থাকায় এদিনই নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হচ্ছে হায়দরাবাদের সেন্ট্রাল ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবে। এক সপ্তাহের মধ্যে রিপোর্ট এসএসকেএম হাসপাতালে আসার সম্ভাবনা।

পরিকাঠামো না থাকায় তুমুল হেনস্থার শিকার হতে হচ্ছে পিঙ্কি প্রামানিককে। ধর্ষণের অভিযোগে ধৃত পিঙ্কির লিঙ্গ নির্ধারণের পরীক্ষা হয়েই চলেছে। সোমবার তৃতীয় দফায় পিঙ্কির রক্তের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। জিনগত বিশ্লেষণের জন্য এই রক্ত পাঠানো হবে হায়দরাবাদে।

গ্রেফতারের পরে ১৫ দিন পার হয়ে গেলেও পরিকাঠামোর অভাবে জানা গেল না পিঙ্কি ছেলে না মেয়ে। বরং এই সময়ের মধ্যে তিন তিনবার পরীক্ষার জন্য তাঁকে নিয়ে যাওয়া হল বিভিন্ন হাসপাতালে। প্রতিদিনই হাজার খানেক জনতার সামনে পুলিসি ঘেরাটোপে হাসপাতালে যাতায়াতের এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পিঙ্কিও। তিনি বলেন এমন হেনস্থার শিকার এর আগে কখনও তাঁকে হতে হয়নি।

কোন পথে এগোচ্ছে পিঙ্কি প্রামাণিকের লিঙ্গ নির্ধারণ পরীক্ষা?

১৮ জুন

গ্রেফতার হওয়ার পরেই বেসরকারি হাসপাতালে একদফা লিঙ্গ পরীক্ষা হয় পিঙ্কির। ন্যূনতম পরীক্ষা করেই পিঙ্ককে ছেলে হিসাবে রায় দিয়ে দিয়েছিল সেই বেসরকারি হাসপাতাল।

২৯ জুন

মেডিক্যাল বোর্ড তৈরি হয়। বারাসত জেলা হাসপাতালে তিন ঘণ্টা ধরে পরীক্ষার পর সেই বোর্ড জানিয়ে দেয়, পরিকাঠানো নেই, তাই সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব নয়।

২৫ জুন

এসএসকেএম হাসপাতালে তিন ঘণ্টা পরীক্ষার পর ফের জানিয়ে দেওয়া হল পরিকাঠামো নেই।

২ জুলাই

এসএসকেএম হাসপাতালে রক্তের নমুনা নেওয়া হল ক্রোমোজোম পরীক্ষার জন্য।

একটাই পরীক্ষা, তার পরিকাঠামো নেই, অথচ তিন তিনবার পরীক্ষার জন্য জেল থেকে হাসপাতালে ঘোরাঘুরি। দেখছেন আমজনতা।

এর আগে ২৯ জুন পিঙ্কি প্রামাণিকের চোদ্দো দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয় বারাসত আদালত। এক মহিলার অভিযোগের প্রেক্ষিতে, গত ১৪ জুন পিঙ্কিকে গ্রেফতার করে বাগুইআটি থানার পুলিস। পিঙ্কির বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ আনেন ওই মহিলা।






Post Your Comment

Total Comments:2

িপংিক যিদ েমেয় প্রমানীত হয় তেব কী েয সব পুরুষ পুিলশ কর্মীরা ওর সােথ অভদ্র আচরন করেছন তােদর েকান িবচার হেব?

going through a news that pinki mms.. http://www.hindustantimes.com/India-news/Kolkata/MMS-showing-Pinki-Pramanik-undergoing-gender-test-goes-viral-online/Article1-882320.aspx raise ur voice against it.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।