শাহবাগ সংহতির মিছিল আটকাল কলকাতা পুলিস

Update: March 21, 2013 16:59 IST

কলকাতায় শাহবাগ সংহতি মঞ্চের মিছিল আটকে দিল পুলিস। ঢাকায় শাহবাগ স্কোয়ারে চলা বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের আন্দোলনের সমর্থনে আজ কলকাতায় মিছিলের ডাক দেয় শাহবাগ সংহতি মঞ্চ। লিটল ম্যাগাজিন, নাট্যকর্মী, শিল্পীরা এই মিছিলের ডাক দেন।  

অ্যাকাডেমি চত্বর থেকে মিছিল শুরুর সময়েই তা আটকে দেয় পুলিস। পুলিসের তরফে জানানো হয়, উচ্চতর কর্তৃপক্ষের নির্দেশেই মিছিলের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। এনিয়ে মিছিলের উদ্যোক্তাদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয় পুলিসের। রাস্তায় বসে পড়েন মিছিলে হাজির মানুষজন। কিছুক্ষণ পর অবরোধ হঠিয়ে দেয় পুলিস। পরে উদ্যোক্তাদের এক প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ হাই কমিশনে গিয়ে স্মারকলিপি জমা দেন।

Post Your Comment

Total Comments:6

এসবই ওপাড়ে – পূবের বাংলায় সবুজ–সতেজ-সক্রিয় এ পাড়ে আমরা অকারন অবুঝ-নিস্তেজ-নিস্ক্রিয় ভাষা-সংস্কৃতির পঙ্কিলতার শিকার মানুষ নই মোরা, শুধুই ভোটার। আন্তর্জাতিকতা বোধে বিলাসী প্রতিবেশীর প্রতি এখনো নিঃস্পৃহ নির্লিপ্ত বড্ড ভিনদেশী । জাগেনি সমমর্মীতা বোধ । ঋত্বিক ঘটকের মেঘে ঢাকা তারারা আজ শাহবাগে ধাববান জ্যোতিষ্মান বনহীমান দীপ্তিমান লেলিহান শাহবাগ চত্বরের নাম পাল্টে হয়নি ভিয়েতনাম। বুড়ি গঙ্গায় এসেছে পদ্মা- মেঘনায় এসেছ ঢেউ উঠছে, ঝড় বইছে, মুক্তির গর্জনে তুলেছে তুফান ঘটবে পঙ্কিলতা মলিনতার অবসান রণিত হোক-ধ্বনিত হোক-শানিত হোক বাঙ্গালীর চারুপাঠ বস্তু বিচার। বাংলায় হবে শান্তির মদিনা এ মোর ক্ষুদ্রাতি ক্ষুদ্র হৃদয়ের প্রার্থনা শাহবাগে “প্রজন্ম চত্বর” এর প্রতি শুভ কামনা। ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩। রবীন চন্দ।

পূবের বাংলা ২১শে ফেব্রুয়ারী জন্ম দিলে পূর্বসূরী বাহান্নর পর একাত্তর। ভাষা –জাতি -স্বাধীনতার জন্ম নিলে আজকের প্রজন্ম। দখল নিল শাহবাগ চত্বর পুবের বাংলা জনম দিল উত্তরসূরী । বাংলা মায়ের ছেলে মেয়েরা বড্ড দামাল কামাল । শান্ত স্নিগ্ধ সবল ভাষার টানে বড়ই উত্তাল। ঢাকা জনম দিল স্বাধীনতার হক দাবীদার “ প্রজন্ম চত্বর “। অ ধর্ম , অ নীতির বিরুদ্ধে চলছে অবিরাম মন্তর । ভীমরুল চলে যাবে, বদলাবে , ধর্মের নামে অধর্মের বজ্জ্বাতি ভাঙ্গবে , ভাঙ্গবে আজকের নজরুল। আজকের শাজাহান ধরেছে উৎপল দত্তের টিনের তলোয়ার, আরও এগিয়েছে আনোয়ার “লিখনী” করেছে হাতিয়ার জসীম উদ্দিনের “নকসী কাঁথার মাঠ”-এ চলবে সমাজ প্রেম বন্ধন মানবতার বিশ্বায়ন লালনের প্রেমাদর্শনে আত্মজিজ্ঞাসনে সৃজনে মননে বাংলা মায়ের সান্তান বড্ড সচেতন।

এবঙ্গের শাসক দল আগামীতে নব প্রাজন্ম কে ভয় পেতে বাধ্য। শিক্ষা-সংস্কৃতির অভাব। শিক্ষা-প্রগতি এদের ব্রাত্য।

bangali nehatii shanti priyo na hole bidhan sobhay anekdin agei agun jalano hoto...

Shahbagh nowadays !!!! http://www.amardeshonline.com/pages/details/2013/03/19/192597#.UUgoeDfKQvM http://www.dailynayadiganta.com/new/?p=142710

..........``আমার উপরোক্ত কলামটি লেখার দু’দিন পরে সরকারের অবৈধ সন্তানের জন্ম হলো শাহবাগের মোড়ে। সে সন্তান দুরন্ত, দুর্বিনীত। কারও কথাই শোনে না। এমনকি বাবা-মায়ের কথাও না। তাদের সৃষ্টি করা হয়েছিল ভয় দেখিয়ে বিচারকদের সরকারের হুকুম মেনে চলতে আর যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্তদের সবাইকে চটজলদি ফাঁসির হুকুম দিতে বাধ্য করতে। কিন্তু বোতল থেকে বেরিয়েই সে দানব হাঁউ-মাউ-খাঁউ বলে চারদিকে হাত বাড়াতে শুরু করল।``...................... http://www.amardeshonline.com/pages/details/2013/03/20/192765#.UUru1LLia58 যেসব কারণে ওরা জামায়াতের বিরুদ্ধে খড়্গহস্ত By সি রা জু র র হ মা ন

  • swapan
  • Posted: 3/21/2013 11:22:38 PM

হক সাহেব আপনার লেখা থেকে বিশেস কিছু বঝা গেল না। আপনি কি শাওবাগ আন্দলন কে সমরথন করেন? নিসছই না ।কারন বাংলাদেশে উগ্র মউলাবাদিরা(জামাত) জা ঘতনা ঘতাছে তা আপনি কলকাতায় এক্তা মিছিল দেখে বুজদে পারবেন না ।নাহলে আপনি অই অবইদ সন্তান বলে বলতেন না ।নিসচই আপনি জামাতের লক। নাহলে কি করে আপনি এক্তা আন্দলন কে অবইদ সন্তান বললেন। আন্দলন ছাড়া কার জন্ম হয় না ।তবে আপনাকে ও একদিন এই আন্দলনে সামিল হতে হবে। সেই দিনের অপেখ্যাই রইলাম। ``মুক্তি জুধ্য জিন্দাবাদ, শেহবাগ জিন্দাবাদ``

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।