জলসা বন্ধকে ঘিরে পুলিস-জনতা খণ্ডযুদ্ধ নাদিয়ালে

জনতা-পুলিস সংঘর্ষে আহত হয়েছেন দু পক্ষের বেশ কয়েকজন। গতকাল রাতে জলসা ছিল আয়ুবপাড়া এলাকায়। গভীর রাত পর্যন্ত মাইক বাজিয়ে চলে জলসা। রাতেই লালবাজার কন্ট্রোল রুমে একটি ফোন আসে। এরপরই পুলিস গিয়ে জলসা বন্ধ করে দেয়। এর জেরে সকাল থেকেই রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় গোটা এলাকা। উত্তেজিত জনতা চড়াও হয় নাদিয়াল থানায়। থানার ভিতরে ঢুকে যথেচ্ছে ভাঙচুর চালানো হয়। ইট, বাঁশ, রড দিয়ে তাণ্ডব চলে থানার ব্যারাকেও। পুলিসের বেশ কয়েকটি জিপ ভাঙচুর করে উল্টে দেওয়া হয়। জনতার ছোঁড়া ইটের আঘাতে জখম হন বহু পুলিসকর্মী।

Updated: Nov 29, 2012, 08:47 PM IST

জলসা বন্ধকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার কাণ্ড ঘটে গেল নাদিয়ালে। জলসা বন্ধ হওয়ায় থানায় ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালাল উত্তেজিত জনতা। ভাঙচুর করা হয় পুলিসের গাড়ি। লাঠিচার্জ করেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় টিয়ার গ্যাসের শেল ছোঁড়ে পুলিস।  
জনতা-পুলিস সংঘর্ষে আহত হয়েছেন দু পক্ষের বেশ কয়েকজন। গতকাল রাতে জলসা ছিল আয়ুবপাড়া এলাকায়। গভীর রাত পর্যন্ত মাইক বাজিয়ে চলে জলসা। রাতেই লালবাজার কন্ট্রোল রুমে একটি ফোন আসে।  এরপরই পুলিস গিয়ে জলসা বন্ধ করে দেয়। এর জেরে সকাল থেকেই রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় গোটা এলাকা। উত্তেজিত জনতা চড়াও হয় নাদিয়াল থানায়।  থানার ভিতরে ঢুকে যথেচ্ছে ভাঙচুর চালানো হয়। ইট, বাঁশ, রড দিয়ে তাণ্ডব চলে থানার ব্যারাকেও। পুলিসের বেশ কয়েকটি জিপ ভাঙচুর করে উল্টে দেওয়া হয়। জনতার ছোঁড়া ইটের আঘাতে জখম হন বহু পুলিসকর্মী।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে মেটিয়াবুরুজ ও গার্ডেনরিচ থানার বিশাল পুলিসবাহিনী। নামানো হয় র‍্যাফ। কিন্তু পুলিস ফের যাতে থানায় ঢুকতে না পারে সেইজন্য রাস্তা আটকে পুলিসের ওপর ফের ইটবৃষ্টি শুরু করে উত্তেজিত জনতা। পুলিসও পাল্টা কাঁদানে গ্যাস ছোঁড়ে। লাঠিচার্জ করে। ঘটনাস্থলে আসার সময় হামলাকারীদের ইটের আঘাতে আহত হন বন্দর এলাকার ডিসি মেহবুব রহমান। ভাঙচুর চালানো হয়  পঞ্চম ব্যাটেলিয়ানের ডিসির গাড়িতে। আহত হন তিনিও।
সকাল দশটা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত দফায় দফায় চলে তাণ্ডব। বিকেলে জন প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনায় বসে পুলিস। নিয়ন্ত্রণে আসে পরিস্থিতি। তবে উত্তেজনা থাকায় এলাকায় পুলিস পিকেট বসানো হয়েছে।