রাজ্য সরকারকে `লাল কার্ড` প্রদীপ ভট্টাচার্যের

Update: January 11, 2013 21:27 IST

রাজ্যপালের বিরুদ্ধে পঞ্চায়েত মন্ত্রীর মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করল কংগ্রেস। একই সঙ্গে কংগ্রেসের হুমকি, রাজ্যপালকে হলুদ কার্ড দেখালে রাজ্য সরকারকে লাল কার্ড দেখতে হতে পারে। এই হুঁসিয়ারির অর্থ রাষ্ট্রপতি শাসন জারির পক্ষে সওয়াল কিনা, তা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক জল্পনা।

ভাঙড় ও বামনঘাটায় হামলার ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন রাজ্যপাল। বৃহস্পতিবারই পাল্টা কটাক্ষ করে পঞ্চায়েতমন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায় বলেন, "রাজ্যপালকে হলুদ কার্ড দেখানো হচ্ছে। প্রয়োজনে লাল কার্ড দেখানো হবে।" এবার রাজ্য সরকারকে পাল্টা লালকার্ড দেখানোর হুমকি দিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি প্রদীপ ভটাচার্য। কে দেখাবে লালকার্ড? তা অবশ্য স্পষ্ট করেননি প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি। তবে আইনশৃঙ্খলার প্রশ্নে রাজ্যের বিরুদ্ধে ফের সুর চড়িয়েছেন তিনি।
 
প্রদেশ কংগ্রেস দফতরে শুক্রবার উপস্থিত ছিলেন কড়েয়ায় ধর্ষণের প্রতিবাদ করে হেনস্থার শিকার হওয়া আত্মঘাতী যুবক আমিনুলের ইসলামের পরিবারের সদস্যরা। তাঁদের পাশে বসিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামার হুমকি দেন প্রদীপ বাবু। তিনি বলেন, "ধর্ষণের প্রতিবাদ করেছিল আমিনুল। তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হয়।" আমিনুলকে মিথ্যে মামলায় ফাঁসিয়ে আত্মহত্যা করতে বাধ্য করা হয়েছে বলে অভিযোগ প্রদেশ সভাপতির।

Post Your Comment

Total Comments:2

Ebar sarkar ke lal card dekhabe janagan... tar jonya TMC tairi thakuk...

What is the use of it now? You have to think of it before making alliance with T.M.C. You are also no less guilty. I think you don`t have ability to do anything praiseworthy.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।