রাজ্যে প্রণব মুখোপাধ্যায়

Update: June 22, 2012 23:56 IST

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগে দিদি অন্নপূর্ণা দেবীর আশির্বাদ নিতে রাজ্যে এলেন প্রণব মুখোপাধ্যায়। শনিবার সকালে বীরভূমের কীর্ণাহারের মিরিটিতে নিজেদের পৈতৃক বাড়িতে যাবেন প্রণববাবু। তাঁর যাত্রা উপলক্ষে নতুন রঙের পোঁচ পড়েছে মিরিটির বাড়িতে। রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী প্রণববাবুর ছবি দিয়ে সাজানো হচ্ছে রাস্তাঘাট।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগে প্রণব মুখোপাধ্যায়ের রাজ্য সফরকে ঘিরে ইতিমধ্যেই তুঙ্গে জল্পনা। সফরসূচিতে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার বিষয়ে কিছু নির্দিষ্ট না থাকলেও রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা কিন্নাহার থেকে ফিরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করতে পারেন প্রণববাবু।  সেক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে এই সফর। শুক্রবার রাত ৯ টা নাগাদ কলকাতা বিমানবন্দরে নেমে সোজা ঢাকুরিয়ার বাড়িতে যান প্রণববাবু। বাসভবনের সামনে থেকে, নাম না করেই তৃণমূলের উদ্দেশে বার্তাও দেন তিনি। জানিয়ে দেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রার্থী প্রসঙ্গে যে সমস্ত রাজনৈতিক দল এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি তাঁদের সকলের সমর্থনই কাম্য তাঁর।







Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।