কলকাতা বিমানবন্দরের আধুনিকীকরণে খুশি রাষ্ট্রপতি

সরকারি উদ্যোগে বিমানবন্দরের আধুনিকীকরণের প্রচেষ্টাকে এবার দরাজ গলায় সার্টিফিকেট দিলেন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়। রবিবার আধুনীকিকরণের পরে কলকাতা বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালের উদ্বোধনে করেন রাষ্ট্রপতি। কলকাতা বিমানবন্দরের আধুনিকীকরণের দায়িত্ব কোনও বেসরকারি সংস্থা নয় সরকারি হাতেই দেওয়া হোক এই দাবিতে একসময়ে সরব হয়েছিল বামেরা।  রবিবার রাষ্ট্রপতি বলেন, "সরকারি হাতে কলকাতা বিমানবন্দরের আধুনীকিরণের যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল, তারা তা পালন করে দেখিয়েছে।"

Updated: Jan 21, 2013, 11:12 AM IST

সরকারি উদ্যোগে বিমানবন্দরের আধুনিকীকরণের প্রচেষ্টাকে এবার দরাজ গলায় সার্টিফিকেট দিলেন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়। রবিবার আধুনীকিকরণের পরে কলকাতা বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালের উদ্বোধনে করেন রাষ্ট্রপতি। কলকাতা বিমানবন্দরের আধুনিকীকরণের দায়িত্ব কোনও বেসরকারি সংস্থা নয় সরকারি হাতেই দেওয়া হোক এই দাবিতে একসময়ে সরব হয়েছিল বামেরা।  রবিবার রাষ্ট্রপতি বলেন, "সরকারি হাতে কলকাতা বিমানবন্দরের আধুনীকিরণের যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল, তারা তা পালন করে দেখিয়েছে।"
কলকাতা বিমানবন্দরের আধুনীকিকরণের উদ্যোগ নেওয়ার সময়েই স্থির হচ্ছিল যে অন্যান্য বিমানবন্দরের মত এক্ষেত্রে দায়িত্ব দেওয়া হোক বেসরকারি সংস্থাকে। কিন্তু সেই সময়ে বাদ সাধে বামেরা। দাবি ওঠে বেসরকারি নয় সরকারি সংস্থাই পাক এই দায়িত্ব। শেষপর্যন্ত সরকারি সংস্থাকেই আধুনিকিকরণের দায়িত্ব দেওয়া হয়। রবিবার সেই অত্যাধিক প্রযুক্তিসমৃদ্ধ বিমানবন্দরের উদ্বোধন করেন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়। সে দিন যাঁরা বেসরকারি সংস্থার হাতে দায়িত্ব দেওয়ার বিরুদ্ধে সরব হন তাঁদের অন্যতম সাংসদ সীতারাম ইয়েচুরিও রবিবার অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। মঞ্চে বসার ডাক না পেলেও দর্শকাসনে বসে থাকা সীতারাম ইয়েচুরির সামনেই রাষ্ট্রপতি বলেন, সরকারি সংস্থাকে দিয়ে আধুনীকিকররণের প্রচেষ্টা সফল হয়েছে।
মঞ্চে ডাক না পাওয়া নিয়ে মন্তব্য না করলেও উপস্থিত সীতারাম ইয়েচুরি বলেন, "রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে, বামেদের দাবির যৌক্তিকতাই প্রমাণিত হয়েছে।"
 
শুধু সরকারি সংস্থাকে দিয়ে আধুনীকিকরণের সিদ্ধান্তের প্রশংসাই নয়। রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায় বলেন, "সরকারের লুক-ইস্ট পলিসির ক্ষেত্রেও আগামী দিনে নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমনবন্দর বড় ভূমিকা নিতে চলেছে।"