প্রাথমিকে নিয়োগ সংক্রান্ত হলফনামা রাজ্যের

Update: December 14, 2012 16:24 IST

হাইকোর্টে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত স্থগিতাদেশ প্রসঙ্গে হলফনামা দিতে চলেছে রাজ্য। হলফনামায় রাজ্য সরকারের তরফে জানানো হবে প্রাথমিকে নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের অগ্রাধিকার দিতে সরকারের পক্ষ থেকে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। 

প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের জন্য ২০ নম্বর ইতিমধ্যেই বরাদ্দ করা হয়েছে। রাজ্য সরকার মনে করছে, প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষায় যে স্থগিতাদেশ জারি হয়েছে, তা তুলে নিতে পারে কলকাতা হাইকোর্ট। প্রাথমিকে ৩৪ হাজার পদে নিয়োগের জন্য গত ১৯ অক্টোবর বিজ্ঞাপন দেয় রাজ্য সরকার। ওই বিজ্ঞাপনকে চ্যালেঞ্জ করে একাধিক মামলা দায়ের হয় হাইকোর্টে। মামলাকারীদের বক্তব্য ছিল, এনসিটিই-র নিয়ম মেনে প্রশিক্ষিতদের যে সুযোগ পাওয়ার কথা, বিজ্ঞাপনে তা উল্লেখ করা হয়নি। ওই আবেদনের ভিত্তিতে গতকাল নিয়োগের পরীক্ষায় স্থগিতাদেশ জারি করেছে কলকাতা হাইকোর্ট। নির্দেশে বলা হয়েছে, যে পদ্ধতিতে বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছে তা অসাংবিধানিক। সে কারণে এই বিজ্ঞাপনের ভিত্তিতে কোনও পরীক্ষা নেওয়া যাবে না।

Post Your Comment

Total Comments:5

Anek kasto kore D.Ed korechi. please amader k thokaben na.

Amra PTTI & Ded Student ra Case Korechi Adalote....Amader Lawer Sakti Pada Jana.... Sathik khabor pete Amader Jogajog karun... Indrajit Halder 9804274381 Or Visit: https://www.facebook.com/WBELED Kono PINTU PARUI Amader neta noi.... Tai Dowa Kore Protarito hoben na...

একেবারে ল্যাজে - গোবরে অবস্থা ।

যে লঙ্কায় যায় সেই রাবন হয়।

আমরা ৫৫ লাখ পরীহ্মার্থী রাজ্যের হলফনামার অপেহ্মায় রইলাম । যে কোনো রায় দেওয়ার আগে সকলের কথা বিবেচনা করবেন ।

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।