সম্পত্তিকর চালু কলকাতা পুরসভার

নিজমূল্যায়নে সম্পত্তিকর চালু করতে চলেছে কলকাতা পুরসভা। এপ্রিল মাস থেকে এই কর চালু হতে চলেছে। এ ব্যাপারে বিভিন্ন দৈনিকে বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছে। তবে করের এই নয়া পদ্ধতি ঘিরে ইতিমধ্যেই বেশকয়েকটি প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

Updated: Dec 8, 2011, 12:40 PM IST

নিজমূল্যায়নে সম্পত্তিকর চালু করতে চলেছে কলকাতা পুরসভা। এপ্রিল মাস থেকে এই কর চালু হতে চলেছে। এ ব্যাপারে বিভিন্ন দৈনিকে বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছে। তবে করের এই নয়া পদ্ধতি ঘিরে ইতিমধ্যেই বেশকয়েকটি প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। বহু টালবাহানার পর কলকাতা পুরসভা চালু করতে চলেছে নিজমূল্যায়নে সম্পত্তিকর। নতুন এই ব্যবস্থায় করদাতারা নিজেরাই নিজেদের করের মূল্যায়ন করতে পারবেন।

নিয়মে কলকাতা পুরসভার অন্তর্গত এলাকাগুলিকে সাতটি ব্লকে ভাগ করা হয়েছে।

প্রতি স্কোয়ার ফিটে পঁচাশি টাকা ধার্য করা হয়েছে।
প্রতি স্কোয়ার ফিট পঁয়ষট্টি টাকা ধার্য হয়েছে।
স্কোয়ার ফির প্রতি পঞ্চাশ টাকা ধার্য হয়েছে।
প্রতি স্কোয়ার ফিটে চল্লিশ টাকা ধার্য হয়েছে।
প্রতি স্কোয়ার ফিটে তিরিশ টাকা ধার্য।
স্কোয়ার ফিট প্রতি কুড়ি টাকা ধার্য।
প্রতি স্কোয়ার ফিটে পনেরো টাকা ধার্য হয়েছে।

ইতিমধ্যেই এ ব্যাপারে বিভিন্ন দৈনিকে বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছে। নয়া পদ্ধতিতে ড্রাফট আকারে সম্পত্তির নথি প্রকাশিত হয়েছে। সম্পত্তি করের নয়া পদ্ধতি নিয়ে করদাতাদের কোনও অভিযোগ থাকলে আগামী পাঁচই জানুয়ারির মধ্যে তাঁরা সে বিষয়ে কলকাতা পুরসভাকে জানাতে পারবেন। তারপরই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে মিউনিসিপ্যাল ভ্যালুয়েশন কমিটি। এরপর পুর অধিবেশনে তা পাশ হবে। এইমূহুর্তে কলকাতা পুরসভার ভাঁড়ার প্রায় শূন্য। সে কারণেই হয়ত তড়িঘড়ি এই পদ্ধতিতে কর দেওয়ার ব্যবস্থা  চালু করতে চাইছে পুরসভা।কিন্তু নয়া এই পদ্ধতি নিয়ে ইতিমধ্যেই বেশ কিছু প্রশ্ন উঠেছে। পুরসভার সংযুক্ত এলাকাগুলির মধ্যে  যাদবপুর, বন্দর, গার্ডেনরীচ এলাকায় প্রায় চারহাজার বাড়ি রয়েছে। যেগুলির কোনও ভ্যালুয়েশন এবং মিউটেশন কোনওটাই নেই। পুরো বিষয়টাই পুর নথির বাইরে। এই বাড়িগুলির জন্য বছরে প্রায় আশি কোটি টাকা কর ক্ষতি হয় পুরসভার।