আলিপুর চিড়িয়াখানায় ফের লাল ক্যাঙ্গারুর মৃত্যু

Last Updated: Tuesday, August 7, 2012 - 20:19

বাকি ৩ সঙ্গী ইহলোক ছেড়েছিল আগেই। শনিবার সকালে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ল আলিপুর চিড়িয়াখানার চতুর্থ লাল ক্যাঙ্গারুটিরও! ২০১১-র জুন মাসে চেক প্রজাতন্ত্র থেকে ৪ টে লাল ক্যাঙ্গারু আনা হয়েছিল। মৃত্যুর কারণ নির্দিষ্ট করতে ইতিমধ্যেই ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে পূর্ণবয়স্ক ক্যাঙ্গারুটির দেহ। কিছুদিন আগেই আলিপুর চিড়িয়াখানাতেই একটি শাবকেরও জন্ম দেয় এই লাল ক্যাঙ্গরুটি। শাবকটি আপেক্ষিকভাবে দুর্বল হলেও কিছুটা বাইরের খাবার খেতে শিখেছে ইতিমধ্যেই। তাই ক্যাঙ্গারু শাবকটিকে বাঁচানোই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ চিড়িয়াখানার পশু চিকিত্সকদের সামনে।
বছরখানেকের মধ্যে চারটি লাল ক্যাঙ্গারুর মৃত্যুতে প্রশ্নের মুখে চিড়িয়াখানার পশুদের রক্ষণবেক্ষণের বিষয়টি। ১৯৭৬ সালের পর ২০১১, এতো বছরের ব্যবধানে লাল ক্যাঙ্গারু আনায় উচ্ছ্বাসটা কিছুটা বেশিই ছিল আলিপুর চিড়িয়াখানায়। তবে এবার সেই উচ্ছ্বাসে ভাঁটার টান।  কারণ, চিড়িয়াখানার তত্কালীন অধিকর্তা রাজু দাসের উদ্যোগে ২০১১-র জুন মাসে চেক প্রজাতন্ত্র ৪টি লাল ক্যাঙ্গারু আনা হলেও বাঁচানো গেল না একটিকেও। গতবছর ১০ই অগাস্ট মৃত্যু হয় প্রথম ক্যাঙ্গারুটির। এরপর সল্প সময়ের ব্যাবধানেই মারা যায় আরও দুটি ক্যাঙ্গারু। সে সময়ে  ১০ দিন ধরে লাল ক্যাঙ্গারু মারা যাওয়ার খবর চেপে রেখেছিল চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। তবে শেষরক্ষা হয়নি।  
আগে মৃত্যুর কারণ হিসেবে কখনও ডায়েরিয়া, কখনও আবার আবহাওয়ার সঙ্গে  মানিয়ে না নিতে পারার যুক্তি খাড়া করেছিল চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। তবে চেক প্রজাতন্ত্র থেকে আনার পরে একমাস ধরে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছিল ক্যাঙ্গারুগুলোকে। সেক্ষেত্রে ধোপে টিকছে না চিড়িয়াখানার যুক্তি। অন্যদিকে একের পর এক বদলির জেরে গত কয়েক মাস যাবত্‍ আলিপুর চিড়িয়াখানায় কোনও পূর্ণসময়ের অধিকর্তা ছিলেন না। মঙ্গলবার লাল ক্যাঙ্গারুর মৃত্যুতে ফের একবার প্রকাশ্যে চলে এলো চিড়িয়াখানার বেহাল দশা।



First Published: Tuesday, August 7, 2012 - 20:19


comments powered by Disqus