`মমতা`ময় প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজ

Update: January 26, 2013 16:02 IST

মুখ্যমন্ত্রীময় প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠান। দফতরকে ছাপিয়ে প্রায় সব ট্যাবলোতেই মুখ্যমন্ত্রীর কাটআউট। উঠল প্রজাতন্ত্রদিবসের মঞ্চকেও রাজনৈতিক প্রচারের কাজে ব্যবহারের অভিযোগ।

প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠান রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের যৌথ প্রশাসনিক অনুষ্ঠান। রাজ্য সরকারের পুলিসবাহিনী এবং কেন্দ্রীয়  সরকারের  সামরিক বাহিনী নিজেদের মধ্যে সমন্বয় করে এই অনুষ্ঠান পরিচালনা করে। যার অন্যতম অঙ্গ কুচকাওয়াজ ও ট্যাবলো প্রদর্শন। ট্যাবলো আসলে প্রতীকি একটি উপস্থাপনা। যা কুচকাওয়াজ দেখতে আসা মানুষকে কোনও একটি দফতর বা সংস্থার বিষয় একটা সুস্পষ্ট তথ্য দেয়। ৬৪ তম প্রজাতন্ত্র দিসবে কলকাতার ইন্দিরা গান্ধী সরনী দেখল এক অন্য ছবি। রাজ্য সরকারের প্রদর্শিত ৮টি ট্যাবলোর মধ্যে ৬টিতেই বিরাজমান মুখ্যমন্ত্রী।

কলকাতা পুলিস। রাজ্য পুলিস। দমকল দফতরের অধীনে থাকা বিপর্যয় মোকাবিলা। শিল্প ও বাণিজ্য। বিদ্যুৎ এবং অচিরাচরিত শক্তি। এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান দফতরের ট্যাবলোর আগে পিছে, দু-পাশে মুখ্যমন্ত্রীর পূর্নাবয়ব বা প্রমাণ সাইজের ছবিতে যতটা প্রচার ছিল, ততটা তথ্য বা বার্তা ছিল না বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। বিশেষত রাজ্য সরকার যে অনুষ্ঠানের আয়োজন করেনি, সেই অনুষ্ঠানের মঞ্চকে এভাবে ব্যবহার করা অত্যন্ত দৃষ্টিকটূ বলেও মনে করছেন অনেকে।

মূলত ২৬শে জানুয়ারির কুচকাওয়াজে তিনি নিজে দাঁড়িয়ে অভিবাদন নিতে পারেন না বলেই, গত বছর থেকে ১৫ই অগাস্ট রেড রোডে শুরু হয়েছে কুচকাওয়াজ। প্রটোকল অনুযায়ী ২৬শে জানুয়ারির কুচকাওয়াজে অভিবাদন নেন  রাজ্যপাল। সেই মঞ্চকে তাহলে কি এবার অন্য কৌশলে ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিলেন মুখ্যমন্ত্রী? প্রশ্ন কিন্তু উঠছেই।
 

Post Your Comment

Total Comments:5

She only knows to bla,bla etc false promises and cover Bengal with her photo,poster and banner

মুখ্যমন্ত্রী ki janen ২৬শে জানুয়ারি keno palan kara hoe?

It is not ``Ptajatrantra Dibas`` but ``Mamata Dibas``. We are really fortunate enough that Mamata Banerjee has not asked our Honourable Governor to share salute with her.

Projatantro Dibos Bodh hoi Mamata Banerjee Chalu Korechilen ...R Uni to Swadhinata Anechen Adeshe ....Tai tablo te unar pic Jukti Jukto bolei mone hoi...

SOCIALISM IS NOT REPUBLIC -ISM!HARDLY MATTERS FOR YOU AS WELL AS LOCAL SELECTED LEADERS AS WE SEE IN PRACTICE IN YOUR PARTY(though it is not a party like Congress.) AND CPM NOT CPI(M).WE ONLY UNDERSTAND YOU WHO IS WITH US. LET`S NOT BE HOPELESS OF YOUR INNOVATIVE MAMATAISM.GO ON TO MARCHING.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।