রাজ্য মন্ত্রিসভায় রদবদল, নতুন মুখের সম্ভাবনা প্রবল

Update: November 19, 2012 16:40 IST

রাজ্য মন্ত্রিসভার নতুন মুখ হতে পারেন কারা? এখনও কাটাছেঁড়া চলছে। চলছে গবেষণাও। কংগ্রেসের ভাঙনকে উত্‍‍সাহিত করতে সদ্য তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিতে যাওয়া কৃষ্ণেন্দু চৌধুরী এবং হুমায়ুন কবীরকে মন্ত্রী করতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মন্ত্রিসভার রদবদলের সম্ভাব্য তারিখ ২১ নভেম্বর। এবারের মন্ত্রিসভার রদবদলে চমক হিসাবে থাকতেই পারে বেশকয়েকটি নতুন মুখ। তবে কোনও মন্ত্রীকে বাদ দেওয়া হচ্ছেনা বলে এখনও পর্যন্ত খবর। কংগ্রেসের ভাঙনকে উত্‍‍সাহিত করতে সদ্য তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিতে যাওয়া কৃষ্ণেন্দু চৌধুরী এবং হুমায়ুন কবীরকে মন্ত্রী করতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জোট ভেঙ্গে যাওয়ায় ক্ষমতায় আসার দেড় বছরের মধ্যেই মন্ত্রিসভা রদবদলের উদ্যোগ নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়।

মন্ত্রিসভার সম্ভাব্য নতুন মুখের তালিকায় প্রথম নাম হাওড়ার তৃণমূল যুব নেতা রাজীব ব্যানার্জির। বেশ কয়েকদিন ধরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গুড বুকে রয়েছেন এই নেতা। তালিকায় দ্বিতীয় নাম পুণ্ডরীকাক্ষ সাহার। নদিয়া জেলায় তৃণমূলের সংগঠনকে আরও জোরালো করার লক্ষ্যেই পুণ্ডরীকাক্ষ সাহাকে মন্ত্রী করার ভাবনা মুখ্যমন্ত্রীর।
শেষপর্যন্ত লড়াইয়ে টিকে থাকতে পারলে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প দফতরের মন্ত্রী হতে পারেন স্বপন দেবনাথ। এছাড়াও তালিকায় রয়েছেন তপন দাশগুপ্ত, কল্লোল খান, আশিস চ্যাটার্জি, তাপস রায় এবং শশী পাঁজা। এঁদের মধ্যে কার ভাগ্যে শিকে ছিঁড়বে জানেন একমাত্র মুখ্যমন্ত্রীই।

কংগ্রেসের সংগঠন ভাঙানোর কাজও শুরু করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। মন্ত্রিত্বের লোভে কৃষ্ণেন্দু চৌধুরী এবং হুমায়ুন কবীর যোগ দিচ্ছেন তৃণমূলে। দলবদলকে উত্‍‍সাহিত করতে দুজনেরই মন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।কংগ্রেসের ছেড়ে যাওয়া মন্ত্রকগুলিতে শুধু নতুন মুখ আনাই লক্ষ্য নয়। বর্তমান মন্ত্রীদের বেশ কয়েকজনের কাজে রীতিমতো অসন্তুষ্ট মুখ্যমন্ত্রী। পর্যটনমন্ত্রী,বনমন্ত্রী, কৃষিমন্ত্রীও সঠিকভাবে দফতরের কাজ সামাল দিতে পারছেননা বলে দলের অন্দরে খবর। শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ওপরেও কোনও কারণে মুখ্যমন্ত্রী অসন্তুষ্ট বলে জোর জল্পনা তৃণমূল শিবিরে। অবশ্য পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে কোনও মন্ত্রীকে বাদ দিয়ে গোষ্ঠীকোন্দলকে নতুন করে উত্‍সাহ দিতে রাজি নন তৃণমূলের শীর্ষ নেতারা। ফলে মুখ্যমন্ত্রীর অপছন্দের তালিকায় থাকলেও এবার সম্ভবত বেঁচে যাচ্ছেন বেশকয়েকজন টার্গেট মন্ত্রীও।






Post Your Comment

Total Comments:2

মন্ত্রী বদল হচ্ছে সাধারন মানুষের জীবনযাত্রার বদল হচ্ছে কি ? উল্টে মন্ত্রিতের ভরনপোষন আর পেনশনের টাকা দিতে গিয়ে সরকারি কোষাগারের আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে. আর সেই টাকাতো জনগনের থেকেই আসে. তবে উন্নয়ন হবে কিভাবে ?

achha sob congressi mla ra jodi dol chhere tmc te jan tobe darun hobe.tai na ? chakri pakka...

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।