ফের রিজয়ানুর কাণ্ডের ছায়া কলকাতায়

Update: September 2, 2012 19:34 IST

গত ৫ বছরে অনেকটাই ফিকে হয়ে এসেছিল রিজওয়ানুর কাণ্ডের স্মৃতি। কিন্তু অমানবিক সেই ঘটনার পরও যে প্রাপ্তবয়স্ক দম্পতির স্বেচ্ছাবিবাহে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ কিছুমাত্র কম হয়নি তা ফের একবার জানান দিল লেকটাউন পুলিসের কাজ। প্রভাবশালী বাবার হস্তক্ষেপে অপহরণের অভিযোগে মেয়ের স্বামীকে গ্রেফতার করল পুলিস।

কিছুদিন আগে লেকটাউনের বাসিন্দা কোমল কাদেলকে আইনগত ভাবে বিয়ে করেছিলেন ছত্তিশগড়ের রায়পুরের বাসিন্দা সাগর শ্রীবাস। নিজেদের ধর্মীয় সংগঠন আর্য সমাজেও ওই বিয়ে অনুষ্ঠিত হয়। দুজনেই প্রাপ্ত বয়স্ক তাঁরা। রয়েছে প্রমাণপত্রও। কিন্তু মেয়ের বাড়ির তরফে ছেলের বিরুদ্ধে অপহরণের অভিযোগ আনা হয়। আর তার ভিত্তিতেই পুলিস কোনওরকম তদন্ত ছাড়াই ছেলেটিকে গ্রেফতার করে নিয়ে আসে। বর্তমানে জেলবন্দি ওই যুবক।

বাবার হস্তক্ষেপে নিজের স্বামীকে জোর করে গ্রেফতার করার অভিযোগ এনেছেন খোদ মেয়ে। ঘটনার জেরে ফের একবার পুলিসের বিরুদ্ধে বিবাহিত দম্পতির ব্যক্তিগত জীবনে অবৈধ হস্তক্ষেপের অভিযোগ উঠেছে। কোনওরকম তদন্ত ছাড়াই প্রাপ্তবয়স্ক দম্পতির জীবনে পুলিসের অহেতূক খবরদারি উসকে দিয়েছে ঠিক পাঁচ বছর আগের রিজয়ানুর কাণ্ডের স্মৃতি। সেবারও বিত্তশালী মেয়ের বাবার প্ররোচণায় পুলিসের অনধিকার হস্তক্ষেপে শেষপর্যন্ত আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে বাধ্য হয়েছিলেন রিজওয়ানুর। সেই ঘটনায় দেশজুড়ে প্রতিক্রিয়ার ঝড় উঠলেও ব্যক্তিগত জীবনে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ যে এখনও বন্ধ হয়নি লেকটাউন পুলিসের আচরণ সেই প্রমাণই দিল।





Post Your Comment

Total Comments:2

This type of Inter-religious(specially with Muslims) marriage should immediately be checked otherwise imbalances of gender among Hindus will effect the future generations. Because very rare muslims girls getting marriage with Hindi boys. Why are so much cries with Rijanur Rahaman. Did this boy ever asked or took permission from the parents of Girl? Before marrying one Hindu girl out religious boy, must ensure that he will be permitted to marry his girl friend.

Where are those so called BIDYOTJANS ? Are they waiting for purchasing candles !

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।