বিধানসভার শোকপ্রস্তাবে নেই তেহট্ট

Update: December 8, 2012 11:23 IST

বিধানসভায় সরকারের শোকপ্রস্তাবে জায়গা পেল না তেহট্টে পুলিসের গুলিতে নিহত অশোক সেনের নাম। অধ্যক্ষ জানিয়েছেন, তেহট্টে পুলিসের গুলিতে মৃত্যু তেমন তাত্পর্যপূর্ণ নয়। সেকারণেই শোকপ্রস্তাবে অশোক সেনের নাম রাখা হয়নি।

রাজ্যে বিরোধী আসনে থাকাকালীন বিধানসভার নন্দীগ্রামে নিহতদের নাম শোকপ্রস্তাবে তোলার জন্য সরব হয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। তা নিয়ে তুমুল হট্টগোলও হয় বিধানসভায়। ওয়াকআউট করেন তত্কালীন তৃণমূল বিধায়করা। তাঁদের দাবি ছিল নন্দীগ্রামে পুলিসের গুলিতে নিহতদের নাম শোকপ্রস্তাবে রাখতে হবে। বতর্মানে তৃণমূল শাসকদল।

আজ শাসকআসনে বসেই নিজেদের অবস্থান পাল্টে ফেলেছেন তাঁরা। বিধানসভার শোকপ্রস্তাবে তেহট্টে পুলিসের গুলিতে নিহত অশোক সেনের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। তাঁর নাম শুধু বাদই দেওয়া হয়নি, তাত্পর্যপূর্ণভাবে অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, তেহট্টের ঘটনা তেমন গুরুত্বপূর্ন নয়। সেকারণেই অশোক সেনের নাম শোকপ্রস্তাবে রাখা হয়নি। 

Post Your Comment

Total Comments:1

MANONIO BIMANBABU JA BOLECHEN TA TO ONER KATHA NOI,ONAKE JINI SPEAKER KORECHEN TAR KOTHAI ONER MUKH DIYE BOLANO HOYACHE. EKNAYAKTONTRER SOB SAKHA PROSOKHA DHIRE DHIRE PROKAS PACHHE. DUKHHO LAGE SAI SOB MOMBATIWALLA SUSIL SAMAJER KARTTA BAKTTIRA JARA EKHUN SOBAI CHUP CHAP MAMATA BANERJIR DAULOTE MASE MASE MASOHARA PAYACHEN JE.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।