রহস্যে বাড়িয়ে রুশদি বিতর্কে পরস্পর বিরোধী দুই মন্ত্রী

Update: February 4, 2013 22:21 IST

রুশদি বিতর্কে দুরকম কথা বললেন রাজ্য সরকারের দুই মন্ত্রী। পঞ্চায়েতমন্ত্রী সুব্রত মুখার্জির বক্তব্য, রুশদির কলকাতায় না আসা নিয়ে, সরকারের বক্তব্য সুলতান আহমেদই বলে দিয়েছেন। অন্যদিকে, পরিবহণমন্ত্রী মদন মিত্রের দাবি, রুশদির কলকাতা সফর বাতিল হওয়া নিয়ে সরকারি স্তরে কোনও বক্তব্যই পেশ করা হয়নি। এর আগে রুশদির কলকাতা সফর বাতিল হওয়ার জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছিলেন তৃণমূল সাংসদ সুলতান আহমেদ। তখন তাঁর বক্তব্য ছিল, সলমন রুশদিকে কলকাতা না আসতে দিয়ে ভাল করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। 

অন্যদিকে সলমন রুশদিকাণ্ডে রহস্য আরও বাড়ল। রুশদি আগেই জানিয়েছিলেন, তাঁর কাছে কলকাতা সফরের আমন্ত্রণ পত্র এমনকি বিমানের টিকিটও রয়েছে। সংবাদমাধ্যমে সেই টিকিটের ছবিও প্রকাশিত হয়। প্রশ্ন উঠেছে, এই বিমানের টিকিট রুশদির কাছে পৌঁছে দিল কে ? গিল্ডকর্তা ত্রিদিব চট্টোপাধ্যায়ের মন্তব্য, কিছু কিছু বিষয় রহস্যাবৃত থাকাই ভালো। 

বিস্ফোরক ট্যুইটে সফর বাতিলের জন্য মুখ্যমন্ত্রীকেই দায়ী করেছিলেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক। সরকার মুখে কুলুপ আঁটলেও, তৃণমূল সাংসদ সুলতান আহমেদ এজন্য সরকারকে ধন্যবাদ জানান।  রুশদি জানিয়েছিলেন তাঁর কাছে আমন্ত্রণ পত্রের ইমেল ও বিমানের  টিকিট  রয়েছে।  সংবাদমাধ্যমে ইতিমধ্যেই সেই টিকিটের ছবিও প্রকাশিতও হয়েছে। বিতর্কে দাঁড়ি টানতে সোমবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন  গিল্ড কর্তৃপক্ষ। 

তাহলে, বিশিষ্ট সাহিত্যিকের কাছে বিমানের টিকিট পৌঁছে দিল কে?

স্পষ্ট কথা স্পষ্ট করে বলেননি গিল্ড কর্তা। উল্টে রুশদিকাণ্ডে আরও রহস্য বাড়িয়ে দিলেন।   





Post Your Comment

Total Comments:2

A COWERED USELESS COMMUNAL GOVERNMENT.

``RUSDIR`` SOMOSTYO BITORKERMULE ``MAMATA`` ONER NIRDESHE SOB KICHU HOYECHE.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।