বেতন জট: ব্যাঙ্কগুলিকে হুঁশিয়ারি রাজ্যের

Last Updated: Friday, September 30, 2011 - 17:32

সরকারি কর্মীরা তাঁদের প্রাপ্য বেতন পাচ্ছেন না। ২৪ ঘণ্টায় এই খবর সম্প্রচারের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। হুঁশিয়ারি দিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষকে একরকম সাবধান করে দিলেন অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র। অবিলম্বে গ্রাহকদের প্রাপ্যটাকা মিটিয়ে দেওয়ার কথা বললেন তিনি। যদিও কেন বেতনের টাকা নির্দিষ্ট অ্যাকাউন্ট থেকে কর্মীরা তুলতে পারছিলেন না তার কোনও সদু্ত্তর দেননি অমিত মিত্র। পুজোর আগে বেতন তুলতে গিয়ে এক অদ্ভুত সমস্যার মুখে পড়েন কয়েকশো রাজ্য সরকারি কর্মচারি। বেতনের চেক জমা দেওয়ার পরও অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলতে পারছিলেন না তাঁরা। পাসবুকে বেতনের সমান অংকের টাকা ক্লিয়ারেন্স হয়ে গেছে দেখালেও সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষে জানায় তাঁরা টাকা দিতে অপারগ।

বেতনের চেক হাতে পাওয়া সত্ত্বেও তাঁদের অ্যাকাউন্টে টাকা জমা পড়েনি । ব্যাঙ্কের তরফে গ্রাহকদের বলা হয়, শুধু শ্যাডো-পোস্টিং হয়েছে কিন্তু অ্যাকাউন্টে এখনও টাকা জমা পড়েনি। অর্থাত্‍‍ কাগজে-কলমে টাকার অংক দেখা গেলেও ওই টাকা হাতে পাবেন না কর্মীরা। এই পদ্ধতিগত জটিলতা সাধারণ কর্মচারিরা বুঝতে না পারায় ক্ষোভ ছড়ায় তাঁদের মধ্যে। অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে যান কর্মচারিরা। কিন্তু অমিত মিত্র প্রথমে তাঁদের সময় দেননি। পরে ২৪ ঘণ্টায় এই খবর সম্প্রচারিত হতেই নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। এবার কর্মচারিদের সঙ্গে কথা বলেন অর্থমন্ত্রী । তিনি আশ্বাস দেন, ব্যাঙ্কের সঙ্গে কথা বলে সমস্যা মিটিয়ে ফেলা হবে। এরপরই নাটকীয়ভাবে সাংবাদিক বৈঠকে ব্যাঙ্কগুলোর উদ্দেশে কড়া বার্তা পৌঁছে দেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, ""কোনও ব্যাঙ্ক যদি সরকারি কর্মচারিদের টাকা না দিয়ে থাকে, তবে তা সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কের সমস্যা। সরকারের তরফে এনিয়ে কোনও ত্রুটি নেই``। এরপরও ব্যাঙ্কগুলো টাকা না মেটালে তাদের কালো তালিকাভুক্ত করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন অর্থমন্ত্রী।



First Published: Friday, September 30, 2011 - 18:59


comments powered by Disqus