সারদা দুর্নীতির তথ্য জানত অর্থ দফতর- বিশেষ রিপোর্ট

সারদা দুর্নীতির তথ্য জানত অর্থ দফতর- বিশেষ রিপোর্ট

সারদা দুর্নীতির তথ্য জানত অর্থ দফতর- বিশেষ রিপোর্টসারদা গোষ্ঠীর প্রতারণায় তোলপাড় রাজ্য। মনে করা হচ্ছে বাইশ হাজার কোটি টাকার কেলেঙ্কারি হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, এত বড় কেলেঙ্কারি হয়ে গেল, আর টের পেল না রাজ্য সরকার? টের পেল না অর্থ দফতরও? কিন্তু দেখা যাচ্ছে, দুর্নীতি যে হচ্ছে, অর্থ দফতর তার সব তথ্যই পেয়েছিল। অর্থ দফতরের মন্ত্রী অমিত মিত্র। তথ্য হাতে পেয়েছিল স্বরাষ্ট্র দফতরও। যে দফতরের মন্ত্রী খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এক নজরে দেখে নেওয়া যাক ঠিক কী ঘটেছে

২৫ সেপ্টেম্বর ২০১২
 
আলিপুরে জাতীয় গ্রন্থাগারের ভাষাভবনে বসে  স্টেট লেভেল ব্যাঙ্কার্স কমিটির বৈঠক। ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র। 
 

বৈঠকের কার্যবিবরণীতে লেখা রয়েছে, সভাপতিত্ব করেন রাজ্যের মাননীয় অর্থমন্ত্রী ডক্টর অমিত মিত্র।

ভাষা ভবনের বৈঠকে বক্তব্য রাখেন এসএলবিসির চেয়ারম্যান ভাস্কর সেন।
 

কী বলেছিলেন ভাস্কর সেন? 
 
বৈঠকের কার্যবিবরণী বলছে, তিনি বলেছিলেন, বিভিন্ন ব্যাঙ্কের শাখা থেকে যে রিপোর্ট আসছে, তাতে দেখা যাচ্ছে, গ্রামের মানুষরা হাজারে হাজারে ব্যাঙ্ক, পোস্টঅফিস থেকে সঞ্চয় তুলে বিভিন্ন বেসরকারি অর্থলগ্নি সংস্থায় টাকা রাখছেন, যে সংস্থাগুলি টাকা ফেরতের অবাস্তব আকাশচুম্বী প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে। এর হাত থেকে মানুষকে বাঁচাতে সরকারের এখনই উদ্যোগ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে।
 
প্রশ্ন, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১২র ওই বৈঠকের পর কী উদ্যোগ নিয়েছিলেন অর্থমন্ত্রী?
 
ডিসেম্বর ২০১২ - অর্থ দফতরের কাছে আরেকটি রিপোর্ট পাঠায় স্টেট লেভেল ব্যাঙ্কার্স অ্যাসোসিয়েশন। কী ছিল সেই রিপোর্টে? রিপোর্টে জানানো হয়, ২০১১-১২ আর্থিক বছরে  ব্যাঙ্ক এবং পোস্টঅফিসের স্বল্প সঞ্চয় প্রকল্পে জমা পড়ে ১২ হাজার কোটি টাকা।
 
আর্থিক বছর ২০১২

এক ধাক্কায় ১২ হাজার কোটি টাকা কমে দাঁড়ায় ১৫৭ কোটি টাকায়। প্রশ্ন, এক বছরে ১১ হাজার ৮৪৩ কোটি টাকা ব্যাঙ্ক পোস্ট অফিস থেকে কোন সংস্থায় চলে গেল? 
 





First Published: Saturday, May 04, 2013, 19:00


comments powered by Disqus