মেধাতালিকায় প্রাধান্য জেলার, কলকাতায় সম্ভাব্য প্রথম সাত্যকি

Update: May 29, 2012 17:47 IST

মাধ্যমিকের ফলে এবারেও কলকাতাকে টেক্কা দিল জেলার স্কুলগুলি। প্রথম দশের তালিকায় এবারেও প্রাধান্য বজায় রইল জেলারই। এবছর মাধ্যমিকে পাশের হার ৮১.০৬ শতাংশ। ৯১.৪২ শতাংশ পাশের হারে কলকাতাকে টেক্কা দিয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কলকাতা। কলকাতায় পাশের হার ৮৭.০১ শতাংশ। তবে, প্রথম ১০০ জনের মেধাতালিকায় রয়েছে কলকাতার বেশ কিছু ছাত্রছাত্রী।

কলকাতায় সম্ভাব্য প্রথম নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের ছাত্র সাত্যকি গিরি। মেধাতালিকায় তাঁর স্থান চতুর্থ। পূর্ব বরিষার কৈলাশ ঘোষ রোডের বাসিন্দা সাত্যকির মোট প্রাপ্ত নম্বর ছশো ৬৭২। আরও অনেকের সঙ্গে মোট ৬৬৮ নম্বর পেয়ে সম্ভাব্য সপ্তম স্থানে রয়েছে নরেন্দ্রপুরেরই ছাত্র মনিরত্নম মণ্ডল। মালদহের কোঠাবাড়ি এলাকার বাসিন্দা হলেও স্কুলের হস্টেলে থেকেই পড়াশুনো করেছে মনিরত্নম। সম্ভাব্য অষ্টম এবং মেয়েদের মধ্যে সম্ভাব্য পঞ্চম স্থানে রয়েছে পাঠভবনের অঙ্কিতা মণ্ডল। তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ৬৬৭। মধ্যমগ্রামের সুভাষপল্লীর বাসিন্দা সাত্তিক বসুর দৌলতে সম্ভাব্য প্রথম দশে রয়েছে ফের সেই নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনই। ৬৬৫ নম্বর পেয়ে মেধাতালিকায় সম্ভাব্য দশম  সাত্তিক বসু। একই নম্বর পেয়ে মেধাতালিকায় জায়গা করে নিয়েছে হেয়ারস্কুলের ছাত্র শুভ্রশঙ্খ বসুও।

মঙ্গলবার সকাল সোয়া ৯টায় সরকারি ভাবে ঘোষনা করা হয় মাধ্যমিকের ফল। আগামী বছর পঁচিশে ফেব্রুয়ারি থেকে ছয় মার্চ পর্যন্ত মাধ্যমিক পরীক্ষা হবে বলে এদিন জানানো হয়েছে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের তরফে।






Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।