তৃণমূলে শ্বাস নেওয়া যায় না: শিখা মিত্র

Last Updated: Thursday, December 13, 2012 - 22:35

ফের দলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন তৃণমূল বিধায়ক শিখা মিত্র। চব্বিশ ঘণ্টাকে দেওয়া এক্সক্লুসিভ সাক্ষাত্কারে তিনি জানালেন সাসপেনশনের চিঠি পেলেই দল ছাড়া নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন তিনি। তবে, কোনও অবস্থাতেই দুঃখ প্রকাশ করবেন না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন চৌরঙ্গির বিধায়ক। 
তৃণমূলকে উদ্দেশ্য করে সোমেন-জায়া প্রশ্ন তুলেছেন ''এ কোন দল?''। তৃণমূল দলের অন্দরে গণতান্ত্রিক পরিবেশের অভাব নিয়ে বহু সময় বহু প্রশ্ন উঠেছে। আজকে কার্যত সেই প্রশ্নকে নতুন করে উস্কে দিয়ে চৌরঙ্গির বিধায়ক জানিয়েছেন ''তৃণমূলে শ্বাস নেওয়া  যায় না।'' তবে এখানেই থেমে থাকেননি শিখা মিত্র। মন্তব্য করেছেন ''সোমেন মিত্র বিধায়ক পদের পরোয়া করেন না।'' 
বেশ কিছু দিন ধরেই শিখা মিত্রের সঙ্গে তাঁর দলের বিরোধ প্রকাশ্যে আসছিল। চলতি বছরের ১লা জুলাই বিধান চন্দ্র রায়ের জন্মদিনে প্রদেশ কংগ্রেসের সদর দফতর বিধান ভবনে একটি সভায় তাঁর বক্তৃতা ঘিরে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। ওই সভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নাম না করেই তোপ দাগেন শিখা দেবী। এই পরিপ্রেক্ষিতে তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় শিখা মিত্রের দল বিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগ আনেন। শিখা মিত্র পার্থ বাবুর বিরুদ্ধে পাল্টা মানহানির মামলা দায়ের করেন।  
দিন দুয়েক আগে বিধানসভায় শীতকালীন অধিবেশন চলাকালীন হাতাহাতির ঘটনার তীব্র সমালোচনা করেন এই তৃণমূল বিধায়ক। মন্তব্য করেন যে কোন দল নির্বিশেষে এই ঘটনা লজ্জার, আতঙ্কের। সংবাদ মাধ্যমের সামনে বিনা অনুমতিতে মুখ না খোলার দলীয় ফতোয়াকে অগ্রাহ্য করে এই কথা জানান তিনি।
এর পর কোন শোকজ ছাড়াই সাসপেন্ড করা হয় শিখা মিত্রকে। তবে শোকজের নোটিস ছাড়া কেন শিখা দেবীকে সাসপেন্ড করা হল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে তৃণমূলের অন্দরেই।
শিখা মিত্রের এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকার দেখতে ক্লিক করুন এখানে 



First Published: Thursday, December 13, 2012 - 23:33


comments powered by Disqus