কঙ্কালকাণ্ড: বৈধতা নিয়ে মামলা সুশান্তর

Update: February 11, 2013 17:05 IST

দাসের বাঁধ কঙ্কালকাণ্ড মামলার বৈধতা নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করলেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী সুশান্ত ঘোষ। তাঁর আবেদন গ্রহণ করেছে আদালত। আগামিকাল এই মামলার শুনানি। এই ঘটনার কেস ডায়েরি আনার জন্য রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

প্রসঙ্গত, কঙ্কালকাণ্ডের জেরে ছ মাসের বেশি জেলে থাকতে হয় রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রীকে।
দাসেরবাঁধ কঙ্কালকাণ্ড মামলার বৈধতা নিয়ে এবার কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করলেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী সুশান্ত ঘোষ। আজ তাঁর আবেদন গ্রহণ করেছে আদালত। আগামিকাল এই মামলার শুনানি। এই ঘটনার কেস ডায়েরি আনার জন্য রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

জুন ২০১১-- পশ্চিম মেদিনীপুরের সিপিআইএম নেতা সুশান্ত ঘোষের বেনাচাপড়ার বাড়ির কাছ থেকে কঙ্কাল উদ্ধারকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে ওঠে রাজ্য রাজনীতি। রুজু করা হয় দাসের বাঁধ কঙ্কালকাণ্ড মামলা। 

২০১১ সালের অগাস্ট মাস।

ঘটনায় গ্রেফতার করা হয় প্রাক্তন মন্ত্রী সুশান্ত ঘোষকে। বিতর্ক তৈরি হয় সিপিআইএমের প্রাক্তন মন্ত্রীর গ্রেফতারের ঘটনায়। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতেই এই মামলা কিনা তানিয়েও শুরু হয় জলঘোলা।  এগারোই অগাস্ট সুশান্ত ঘোষকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ভবানী ভবনে সিআইডির হেডকোয়ার্টারে নিয়ে আসা হয়। সিআইডির তিরিশজন তদন্তকারী অফিসার পাঁচটি দলে ভাগ হয়ে জেরা করে সুশান্ত ঘোষকে।  এরপর তাঁর অন্তবর্তী জামিনের আবেদন মঞ্জুর করে সুপ্রিম কোর্ট। দীর্ঘ প্রায় ছমাস পরে দুহাজার বারোর ফেব্রুয়ারিতে আলিপুর সংশোধনাগার থেকে মুক্তি পান  সুশান্ত ঘোষ।  এবার দাসের বাঁধ কঙ্কালকাণ্ড  মামলার  বৈধতা নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে পাল্টা মামলা দায়ের করলেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী সুশান্ত ঘোষ। মামলার প্রক্রিয়া থেকে তদন্ত, এমনকী তাঁকে গ্রেফতার, পুরোটাই অবৈধ বলে অভিযোগ করেছেন সুশান্ত ঘোষ। সোমবার তাঁর আবেদন গ্রহণ করেছে আদালত। মঙ্গলবার এই মামলার শুনানিতে কেস ডায়েরি আনার জন্য রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।








Post Your Comment

Total Comments:3

chi chi... suu kore aay baba..ektu to lajja rakho... Qtiya hai kya re ... Gndu.... Boka c.. er theke bhalo kichu deoya jacche na... Didir katha r ki bolbo.. uni to ei janor take chere diyechen...

মাংসাশী প্রানি গুলো ১৯ মাস ধরে ক্ষুধার্ত। তৃণভোজী দের আগের মত খেয়ে হজম করতে পারছে না। তাই বার বার একি কথা ``শিল্প হচ্ছে না``। আমার লাল ঝাণ্ডা বওয়া মাংসাশী বন্ধু গুলো আজ বড় কালান্ত, ক্ষুধার্ত কিখাবে তারা???? এত দিন ত খেয়ে বুড়ো গেলে। জমি এখন তৃণভোজী দের দখলে। মাংসাশী বন্ধু গন তৃণভোজী দের কামড়ানোর চেষ্টা কর না। ওয়েব পেজে, নিউস চ্যানেলে।

মাংসাশী প্রানি গুলো ১৯ মাস ধরে ক্ষুধার্ত। তৃণভোজী দের আগের মত খেয়ে হজম করতে পারছে না। তাই বার বার একি কথা ``শিল্প হচ্ছে না``। আমার লাল ঝাণ্ডা বওয়া মাংসাশী বন্ধু গুলো আজ বড় কালান্ত, ক্ষুধার্ত কিখাবে তারা???? এত দিন ত খেয়ে বুড়ো গেলে। জমি এখন তৃণভোজী দের দখলে। মাংসাশী বন্ধু গন তৃণভোজী দের কামড়ানোর চেষ্টা কর না। ওয়েব পেজে, নিউস চ্যানেলে।

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।