বামেদের বিলে আমল দিয়ে চিটফান্ড ঠেকাতে উদ্যোগী সরকার

Update: January 25, 2013 22:42 IST

চিটফান্ডের বাড়বাড়ন্ত ঠেকাতে অবশেষে উদ্যোগী হল রাজ্য সরকার। চিটফান্ড নিয়ন্ত্রণে বাম আমলে আনা বিলই দ্রুত পাশ করিয়ে চিটফান্ড সংস্থাগুলির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে চায় প্রশাসন। বিলটিতে দ্রুত রাষ্ট্রপতির অনুমোদন চেয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে চিঠিও পাঠানো হয়েছে অর্থ দফতরের তরফে।

রাজ্যে এই মুহুর্তে চিটফান্ড সংস্থাগুলির বাড়বাড়ন্তে মার খাচ্ছে ক্ষুদ্র সঞ্চয় প্রকল্প। চলতি আর্থিক বছরে ওই প্রকল্পে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ২১০ কোটি টাকা কম আদায় হয়েছে। চিটফান্ডের বাড়বা়ডন্ত নিয়ে ইতিমধ্যেই সরব হয়েছে বাম দলগুলি। ১৮ ডিসেম্বর এক বাম প্রতিনিধি দল এ বিষয়ে দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন। এরপরেই কেন্দ্রের তরফে রাজ্যকে চিঠি দেয় যোজনা কমিশন। শেষ পর্যন্ত দিল্লির চাপে পড়ে নড়েচড়ে বসে রাজ্য সরকার। রাজ্যের অর্থ দফতর সম্প্রতি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে চিঠি দিয়ে বিলটিতে দ্রুত অনুমোদনের আর্জি জানায়। বৃহস্পতিবার এক সাংবাদিক বৈঠকে প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী অসীম দাশগুপ্ত প্রশ্ন তোলেন, কেন এতদিন পরেও বাম আমলের বিলটি রাষ্ট্রপতির অনুমোদন পেল না
 
বিলটি পাস হলে চিটফান্ডগুলির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সুবিধা হবে প্রশাসনের। ঠিক সময়ে টাকা ফেরত না দিলে চিটফান্ড মালিকের জেল, জরিমানা কিংবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে। এমনকী অভিযুক্তের সম্পত্তি দখলও করতে পারবে রাজ্য। চিটফান্ডগুলির আয়ব্যয়ের হিসাবও চাইতে পারে সরকার।

Post Your Comment

Total Comments:2

At last WB state government is going to take action against cheat fund. I like it.

comrade ...asim babu..apni bolun keno bill ta pass holo naa...apnader felee jaoya problem gulo sajjya korte hochhe..

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।