রাজস্ব বাড়াতে কর বাড়ানোর সিদ্ধান্ত

Update: March 11, 2013 18:28 IST

রাজস্ব আদায় বাড়াতে শেষ পর্যন্ত কর বাড়ানোর পথেই এগোল রাজ্য সরকার। বিধানসভায় আজ রাজ্যবাজেট পেশ করেন অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র। বাজেটে মূল্যযুক্ত কর বা ভ্যাটের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন হার এক শতাংশ করে বাড়ানো হয়েছে। যার জেরে সমস্ত জিনিসপত্রের দাম বাড়ার আশঙ্কা।

পঞ্চায়েত ভোটের কথা মাথায় রেখে গ্রামোন্নয়ন খাতে বরাদ্দ  হয়েছে ২,২৯০ কোটি টাকা। এছাড়াও এম্লয়মেন্ট ব্যাঙ্কে নাম নথিভুক্ত আছে, এমন একলক্ষ বেকারকে ১৫০০ টাকা করে ভাতা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন অর্থমন্ত্রী। আগামী অর্থবর্ষে মোট আয়ের লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে এক লক্ষ দশ হাজার কোটি টাকা। যার মধ্যে, করবাবদ আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা প্রায় চল্লিশ হাজার কোটি টাকা রাখা হয়েছে।

বিধানসভায় আজ আট কোটি টাকার ঘাটতি বাজেট পেশ করেন অর্থমন্ত্রী।





Post Your Comment

Total Comments:3

বেকারকে ভাতা না দিয়ে কাজ দেন., রাজ্যে শিল্পবৃদ্ধি করুন. তাতে বেকার ও কমবে,আর বাড়বে রাজস্ব আদায়এর পরিমানও.

AMITDA DIDIR SOMOTTI NIYE KATHATA BOLECHEN? NAHOLE TRIBEDIR DOSA HOBE KINTU? DIDIR SOMOTTI THEKLE DIDIR APNER NAME DOS DIYE BOLBEN AMI BARAINI AMITDA BARIACHE.

Aponar Ray ei program-a weak-a kom kore ek din amader moto sadharon manuser jonno tele calling-er babostha korun, plz.... R Budget amader moto sadharon manuser jonno na bcoz ammra roz uparjon kori tarpor barite ranna hoy,, sutorag seta niye matha ghamiye amar luv ney,, jokhon aponader program dekhi tokhon onek question korte icche kore kintu korte pari naa.... so plz. plz.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।