অশান্ত হাজরায় পুলিসের লাঠিচার্জ, বচসায় মদন

Update: February 20, 2013 12:19 IST

ধর্মঘটের সমর্থনে মিছিলে লাঠি চালাল পুলিস। হাজরা মোড়ে এই ঘটনার জন্য সরাসরি পরিবহণমন্ত্রীকেই দায়ী করেছেন ধর্মঘটীরা।
দেখুন কীভাব বাধল বচসা, কী বললেন মদন মিত্র


আজ রাসবিহারি মোড় থেকে ধর্মঘটীদের একটি মিছিল যাচ্ছিল ভবানীপুরে। মিছিল যখন হাজরা মোড়ে, সেসময় সেখান দিয়ে যাচ্ছিলেন পরিবহণমন্ত্রী মদন মিত্র। তিনি হাজরা মোড়ে উপস্থিত পুলিসকর্মীদের মিছিল সরিয়ে দিতে নির্দেশ দেন। ধর্মঘটীদের সঙ্গে তাঁর বচসাও হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

এর পর পরিবহণমন্ত্রী গাড়ি নিয়ে হাজরা থেকে বেরিয়ে যান। এলাকায় উত্তেজনার মাঝেই মিছিল ফের রাসবিহারির দিকে সরতে থাকে। কিন্তু আচমকা বিক্ষোভকারীদের ওপর লাঠি চালায় পুলিস। পদস্থ পুলিসকর্তাদের উপস্থিতিতেই টানাহেঁচরা করা হয় মহিলা এবং বয়স্কদেরও।

মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের অভিযোগ পরিবহণমন্ত্রীর উস্কানির ফলেই লাঠি চালিয়েছে পুলিস।






Post Your Comment

Total Comments:7

MADAN IS REALLY A MADNA. OTHERWISE BEING A MINISTER HE WOULD NOT INVOLVE HIMSELF IN THAT MATTER.

RATER GHORTA NA KATAR JONYO MADNA AI KAJ KORE FELECHE,8PM (ONER DAK NAAM) KE KHYAMA KORE DEBEN.

Communists are doing well-what they can !

The trade body increased its estimate on GDP loss to 260 billion rupees ($4.8 billion) from 200 billion rupees projected Tuesday due to two day strike.Start counting for another round of price hike soon,will Those Communists call for another strike ???

The trade body increased its estimate on GDP loss to 260 billion rupees ($4.8 billion) from 200 billion rupees projected Tuesday due to two day strike.Start counting for another round of price hike soon,will Those Communists call for another strike ???

@ harmad, তোর কথামত আয়নায় দেখলুম রে । কিন্তু সেটাও তুই যার পোঁদ চাটছিস তার মুখের থেকে সুন্দর ।বেজম্মা আগাছা যতো জুটেছে এখানে এসে ।

আজকের বনধ কোনো বনধ নয় - এটা একটি মুর্খ কুত্সিত মহিলা , তার চোর -গুন্ডা সাঙ্গ-পাঙ্গ এবং তোলাবাজ সমর্থকদের মুখে সাধারণ মানুষের জুতোমারা ।

  • harmad
  • Posted: 2/20/2013 6:02:53 PM

mukhta to atodin laal chilo..ajkal pod tao lal korechis..ainay nijer mukh naa dekhe pod dekh..

strike is a fundamental right but forcibly strike is a crime...

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।