রাজ্যের কর্মসংস্কৃতি নিয়ে তোপ দাগলেন সুব্রত মুখার্জি

Update: August 3, 2012 23:11 IST

সরকারি কর্মীদের বেশিরভাগ অংশই ঠিকমতো কাজ করেন না। এই বলেই সরকারি কর্মীদের কর্মসংস্কৃতি নিয়ে তোপ দাগলেন পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, কর্মীদের অনেকেই সময় মতো অফিসে আসেন না। অফিসে এলেও কাজের সময় ক্যারাম খেলেন। তাঁর দফতরে কর্মসংস্কৃতি ফেরাতে পঞ্চায়েত দফতরকে এক ছাতার তলায় আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সুব্রতবাবু। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বৃহস্পতিবারই জানিয়ে দিয়েছেন, এ বছর আর রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ডি এ হচ্ছে না। পরবর্তী ডি এ দেওয়া হবে জানুয়ারি মাসে।

এই নিয়ে শুক্রবার সারাদিন ধরে মহাকরণে বিক্ষোভ দেখান বিভিন্ন কর্মচারী সংগঠনের সদস্যরা। সরকারি কর্মীদের একটা মহলে যখন ডি এ নিয়ে ক্ষোভ তুঙ্গে, সে সময়েই তাঁদের কর্মসংস্কৃতি নিয়ে পাল্টা তোপ দাগলেন পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়। শুক্রবার মহাকরণে বসেই তাঁর অভিযোগ, সরকারি কর্মীদের বড় অংশই ঠিকমতো কাজ করেন না।

সরকারি কর্মচারীদের হাজিরা নিয়ে এর আগেই সার্কুলার জারি করা হয়েছিল। কিন্তু সুব্রতবাবুর বক্তব্য, এতদিনেও কর্মীদের কাজের অভ্যেস ফেরানো যায়নি। সময়মতো কর্মীরা হাজিরা তো দেনই না, উল্টে তাঁরা কাজের সময় ক্যারাম খেলে, কাগজ পড়ে সময় কাটান বলে বিঁধেছেন পঞ্চায়েতমন্ত্রী। সরকারি কর্মীদের কর্মসংস্কৃতি ফেরাতেই পঞ্চায়েত নির্বাচনের পরে সল্টলেকে নতুন ভবনে নিয়ে যাওয়া হবে পঞ্চায়েত দফতর। সেখানে পাঞ্চিং মেশিন বসানো হবে। ফলে কে কখন অফিসে আসবেন, তার রেকর্ড থাকবে। সুব্রত মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, তাঁর দফতরে কর্মসংস্কৃতি ফেরাতে কড়া পদক্ষেপ নেবেন তিনি।

   






Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।