সুব্রতর পাল্টা তোপ চিদম্বরমকে

Update: July 5, 2012 23:33 IST

রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পি চিদম্বরম সরব হতেই পাল্টা আক্রমণের পথে গেল রাজ্য সরকারও। চিদম্বরমের বিরুদ্ধে কড়া আক্রমণ করে পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায় বলেছেন, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে কোনও মন্তব্য করার অধিকার নেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। সরকারের এই মন্তব্য শোনার পর চিদম্বরমও সুর চড়িয়ে বলেছেন, রাজনৈতিক সংঘর্ষ ঘটলে বলার অধিকার সবারই আছে।

জঙ্গলমহলের পরিস্থিতি নিয়ে একসময় তত্‍কালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের সঙ্গে পি চিদম্বরমের সংঘাত চরমে পৌছেছিল। প্রায় প্রতিদিনই যখন দুজনের মধ্যে পত্রযুদ্ধ চলছিল, সেসময় চিদম্বরমের ভুয়সী প্রশংসা শোনা গেছে বিরোধী নেত্রী মমতা ব্যানার্জীর গলায়। চোদ্দ মাসের মধ্যেই বদলে গেল গোটা পরিস্থিতি। এক সময় কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ চিদম্বরমের বিরুদ্ধেই মুখ খুলল রাজ্য সরকার।





Post Your Comment

Total Comments:1

Are Tarmuj da apnar ki boktobbo... suntei parchi na ENT ke dekhan na ektu jodi Purush er moto gola kore dite pare...Na hole to apnar G``````e niyo test korte Hobe ki GR er apni

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।