শহরের রাজপথে ত্রিফলা বাতিস্তম্ভে ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী মহিলা

রাজপথে ত্রিফলা বাতিস্তম্ভে গলায় ওড়নার ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করলেন এক মহিলা। সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউয়ের ওপরে হাজার হাজার মানুষ ও পুলিসের চোখের সামনেই গলায় ফাঁস লাগান ওই মহিলা। মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিত্সকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষনা করেন।

Updated: Aug 23, 2013, 05:14 PM IST

প্রকাশ্য রাস্তায় ত্রিফলা বাতিস্তম্ভে ওড়না জড়িয়ে আত্মঘাতী হলেন এক মহিলা। সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউয়ে, মহাজাতি সদনের গেটের সামনে আজ বিকেলে ঘটনাটি ঘটেছে। স্বামীর সঙ্গে বচসার জেরেই সোমা বক্সি নামে বছর পঞ্চাশের ওই মহিলা আত্মঘাতী হয়েছেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি। মহিলার স্বামীকে আটক করেছে জোড়াসাঁকো থানার পুলিস।

বিকেল চারটে। সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউয়ে মহাজাতি সদনের সামনের ফুটপাথ। রাস্তায়
অফিস ফেরতা মানুষের ভিড়। ট্রাফিক সামলাতে ব্যস্ত পুলিস। দিনের আলোয়,
ব্যস্ত সময়ে, হাজার হাজার চোখের সামনেই ঘটে গেল ঘটনাটি। ত্রিফলা
বাতিস্তম্ভে গলায় ওড়না জড়িয়ে নিজেকে শেষ করে দিলেন বছর পঞ্চাশের সোমা
বক্সি।
মহাজাতি সদনের সামনের ফুটপাথে থাকতেন সোমা ও তাঁর স্বামী দীপঙ্কর বক্সি। দুপুরে মদ্যপ স্বামীর সঙ্গে বচসা হয় তাঁর। দীপঙ্কর এলাকা ছাড়তেই, আত্মঘাতী হন সোমা। আসপাশে তখন কয়েক হাজার মানুষ। কিন্তু বাধা দিতে  এগিয়ে আসেননি কেউই। কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিসকর্মীরা তত্পর হন মৃত্যুর পর। তাঁরাই খবর দেন জোড়াসাঁকো থানায়। প্রায় আধঘণ্টা পরে দেহটিকে নীচে নামায় পুলিস। ময়নাতদন্তের জন্য সোমা বক্সির দেহ মেডিক্যাল কলেজে পাঠানো হয়েছে।
 

বিকেল চারটে। সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউয়ে মহাজাতি সদনের সামনের ফুটপাথ। রাস্তায়
অফিস ফেরতা মানুষের ভিড়। ট্রাফিক সামলাতে ব্যস্ত পুলিস। দিনের আলোয়,
ব্যস্ত সময়ে, হাজার হাজার চোখের সামনেই ঘটে গেল ঘটনাটি। ত্রিফলা
বাতিস্তম্ভে গলায় ওড়না জড়িয়ে নিজেকে শেষ করে দিলেন বছর পঞ্চাশের সোমা
বক্সি।

মহাজাতি সদনের সামনের ফুটপাথে থাকতেন সোমা ও তাঁর স্বামী দীপঙ্কর
বক্সি। দুপুরে মদ্যপ স্বামীর সঙ্গে বচসা হয় তাঁর। দীপঙ্কর এলাকা ছাড়তেই,
আত্মঘাতী হন সোমা। আসপাশে তখন কয়েক হাজার মানুষ। কিন্তু বাধা দিতে  এগিয়ে
আসেননি কেউই। কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিসকর্মীরা তত্পর হন মৃত্যুর পর। তাঁরাই
খবর দেন জোড়াসাঁকো থানায়। প্রায় আধঘণ্টা পরে দেহটিকে নীচে নামায় পুলিস।
ময়নাতদন্তের জন্য সোমা বক্সির দেহ মেডিক্যাল কলেজে পাঠানো হয়েছে।