কড়েয়া থানার বাইরে গায়ে আগুন দিয়ে আত্মহত্যা

Update: January 1, 2013 20:52 IST

পুলিসি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগে এবার থানার সামনেই গায়ে আগুন দিয়ে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটল। গত ৩ ডিসেম্বর কড়েয়া থানার সামনে গায়ে আগুন দিয়েছিলেন মীর আমিনুল ইসলাম। আজ সল্টলেকের একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে মৃত্যু হয় তাঁর।

রীতিমতো সুইসাইড নোট লিখে কড়েয়া খানার সামনে গায়ে কেরোসিন তেল ঢেলে, আগুন দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে পাম অ্যাভিনিউয়ের বাসিন্দা এই যুবক। নাম মীর আমিনুল ইসলাম ওরফে গুড্ডু। সুইসাইড নোটে লেখা ছিল।  কড়েয়ায় এক কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছেনা পুলিস। অভিযুক্ত শাহজাদা পুলিসের ঘনিষ্ঠ। তাই নিষ্ক্রিয় পুলিস। বরং গুড্ডুর বিরুদ্ধেই পাল্টা হামলা, ভাঙচুর এবং লক্ষাধিক টাকা লুঠের অভিযোগ দায়ের করা হয়।
 
গুরুতর অগ্নিদ্বগ্ধ আমিনুলকে প্রথমে ন্যাশনাল মেডিক্যাল, পরে সল্টলেকের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই মঙ্গলবার বিকেলে মৃত্যু হয়েছে আমিনুলের। যদিও আমিনুল গায়ে আগুন দেওয়ার পরেই ধর্ষণে অভিযুক্ত শাহজাদাকে গ্রেফতার করে পুলিস। বর্তমানে জেল হেফাজতে রয়েছে সে। কড়েয়া থানার পুলিসের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানা গেছে। 

Post Your Comment

Total Comments:1

তৃণ মুলের মধ্যে দিমত হবে। কারন তৃনমূলে কয়েকজন আছে জারা প্রকৃত ভাল লক ,কিন্তু বাকি রা ,যেমন মুকুল রায় কাঁচড়া পাড়া রেলের কারখানায় জত পুরান মাল ছিল সব উনি এবং উনার ছেলে শুব্রাংশু বিক্রি করে ১০০ কোটি তাকার মালিক হয়েছেন।সুতরান সৌগত বাবু তা ত পারবেন না ,সুতরাং দিদির একান্ত প্রিয় এবং কাছের মুকুল জা বলবেন তার উপরে আর কার কথা স্থান পাবে না ।সৌগত বাবুর উচিৎ চুপ করে থাকা নতুবা দল ছেরে চলে আশা ।উনার প্রয়োজনীয়তা শেস হয়ে গেছে দিদির কাছে ,সন্মান থাকতে কেটে পরা ছাড়া আর কন রাস্তা সৌগত বাবুর খলা নেই।

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।