রেজ্জাক মোল্লার রিলিজ নিয়ে দেবী শেঠিকে চিঠি ক্ষুব্ধ সুজনের

Update: January 13, 2013 10:55 IST

মেরুদণ্ডে গুরুতর আঘাত থাকলেও চাপে পড়ে আবদুর রেজ্জাক মোল্লাকে ছেড়ে দিতে চেয়েছিল আর এন টেগোর হাসপাতাল। সিপিআইএমের তরফে আগেই এই অভিযোগ করা হয়। এ বার লিখিত অভিযোগ জানিয়ে হাসপাতালের কর্ণধার ডক্টর দেবী শেঠীকে চিঠি দিলেন দলের দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলা সম্পাদক সুজন চক্রবর্তী।

রবিবার ভাঙড়ে আক্রান্ত হওয়ার পর সোমবারই শুধুমাত্র এক্স-রে রিপোর্টের ভিত্তিতে আবদুর রেজ্জাক মোল্লাকে ছেড়ে দেওয়ার কথা জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। সাত তাড়াতাড়ি তাঁকে ছেড়ে দিতে চাওয়ার পিছনে রাজনৈতিক প্রভাবের কথা বলেছিলেন সিপিআইএম নেতারা। পরে, রেজ্জাক মোল্লার এমআরআই রিপোর্টে জানা যায় তাঁর মেরুদণ্ডে গুরুতর চোট আছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, রেজ্জাক মোল্লার মেরুদণ্ডের এল-ওয়ান হাড়ে চিড় ধরেছে। হাড়টি বেঁকে গিয়েছে। মেরুদণ্ডের এল-টু এল-থ্রি, এল-থ্রি এল-ফোর, এল-ফোর এল-ফাইভ এবং এল ফাইভ-এস ওয়ান হাড়ের মধ্যবর্তী গ্রন্থিও নড়ে গিয়েছে। জল জমেছে কোমরের হাড়ের একাংশে।
 
এমআরআই রিপোর্টে মেরুদণ্ডে গুরুতর আঘাত ধরা পড়ায় রেজ্জাক মোল্লা এখনও হাসপাতালেই চিকিত্‍সাধীন। তবে, সোমবার শুধুমাত্র এক্স-রে রিপোর্টের ভিত্তিতে কেন তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল ? সংবাদমাধ্যমের কাছে এই প্রশ্ন তোলার পর এ বার অভিযোগ জানিয়ে হাসপাতালের কর্ণধারকে চিঠি দিল সিপিআইএম নেতৃত্ব।
 

  

Post Your Comment

Total Comments:2

Mr,SUJAN CHAKRABORTY YOU NEED TO GET X-RAYED TO JUSTIFY THE PEASANTS PROBLEM AND A LEADER LIKE RESPECTED RAZZAQUE MOLLAH NEED NO OXYGEN MASK OF OXYGEN LIKE YOU TO REVIVE THE DEMOCRACY OF EXPLOITATION BY SOME SO CALLED MARXIST.

বাংলায় লিখুন যাতে কিছু বোঝা যায় । এ তো দিদির `গরমেন্ট`এর মতো ইংরেজি ।

X-ray report dekhiye hok ar dr. er suparamar-se hok A.Rejjak Molla ahato hoyei hospitalised hoyechhen.Kintu ARABUL ISLAM ke kara kara aaghat korechhen ta naam kore bolchhen na keno? karan TMC partir sab ledar ra janen A.RAJJAK kingba ARABUL ISLAM du joner upar akie lok aghat korechhe?

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।