সদনে `নবজাগরণ`

Update: August 3, 2012 10:03 IST

নবজাগরণের হাত ধরেই শুরু হয়েছিল বাংলা ভাষাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লড়াই। উদ্দেশ্য ছিল হিন্দি ও ইংরেজির পাশাপাশি, বাংলা ভাষার সমান অধিকার। সেই আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিলেন  বিশিষ্ট সাহিত্যিক সুনীল গাঙ্গুলি। দেখতে দেখতে চার বছরে পা দিল এই সংস্থা। আর সেই উপলক্ষ্যে বৃহস্পতিবার রবীন্দ্রসদনে এক বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল।

সাহিত্যিক সুনীল গাঙ্গুলি ছাড়াও সেখানে ছিলেন কলকাতার প্রাক্তন মেয়ার বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য-সহ বিশিষ্টজনেরা। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সুনীল গাঙ্গুলি বলেন, বাংলা ভাষাকে আবশ্যক করতে এবার নতুন প্রজন্মকে এগিয়ে আসতে হবে। তাঁর মতে, ভাষার ব্যাপারে আগের সরকারের সদিচ্ছা ছিল।

Post Your Comment

Total Comments:1

Sunil Sir er eai prochesta k amra sadhubad janai ..Sotty Bengala Vashaer eakta bapok porishor proyjon, tobey ta hobe Bangalir prokrito shikrity,,Bengalar Vashar prokrito shikrity.....Ar ey kajey Sokol Bongo Bashi k soman vabe eageye Aste Hobey.. Thank You Raju Sarkar

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।